সোনার আমদানিতে শুল্ক ফাঁকি! রাজস্বে ক্ষতি 64 হাজার কোটি! কেন্দ্রকে চিঠি দিল এআইজেজিএফ

ভারতে সোনার আমদানিতে ব্যাপক অনিয়ম চলছে। অভিযোগ উঠেছে, প্ল্যাটিনামের খাদ মেশানো সোনা আমদানি করে শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছেন অসৎ ব্যবসায়ীরা। এর ফলে সরকারের রাজস্বের প্রায় 64 হাজার কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অল ইন্ডিয়া জুয়েলার্স অ্যান্ড গোল্ডস্মিথস ফেডারেশন (এআইজেজিএফ)।
এআইজেজিএফের দাবি:
সাম্প্রতিক সময়ে প্ল্যাটিনামের খাদ মেশানো সোনার আমদানি ব্যাপকভাবে বেড়েছে।এই সোনায় আসলে সোনার পরিমাণ থাকে মাত্র 88%।সোনার উপর আমদানি শুল্ক 15% হলেও, এই খাদ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক দিতে হয় মাত্র 5%।এই সুযোগে অসৎ ব্যবসায়ীরা প্ল্যাটিনাম মেশানো সোনা আমদানি করে শুল্ক ফাঁকি দিচ্ছেন।এর ফলে দেশের স্বর্ণ শিল্প মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।
বৈধভাবে সোনা আমদানিকারীরাও লোকসানের মুখে পড়ছেন।খাদ মেশানো সোনা গলিয়ে দেশের মধ্যেও তার চোরাচালান চলছে।
গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চের তথ্য:
গবেষণা সংস্থা গ্লোবাল ট্রেড রিসার্চও এই বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।তাদের মতে, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে ভারতে বিপুল পরিমাণ দামি ধাতু আমদানি করা হচ্ছে।এই লেনদেন চলছে দুই দেশের মধ্যে আর্থিক অংশীদারিত্ব চুক্তির আওতায়।
পশ্চিম এশিয়া থেকে আমদানি করা এই দামি ধাতুর উপর বর্তমানে 3% শুল্ক ধার্য করা হয়েছে।সূত্রের খবর, আগামী 3 বছরের মধ্যে এই শুল্ক সম্পূর্ণ শূন্য করে দেওয়া হবে।তখন, কোনও সামগ্রীতে 2% প্ল্যাটিনাম থাকলেও তার জন্য কোনও শুল্ক দিতে হবে না।
গবেষণা প্রতিষ্ঠানের দাবি:
2024 আর্থিক বছরে সোনা ও রূপো কেনার ক্ষেত্রে আনুমানিক রাজস্ব লোকসান হয়েছে 63 হাজার 375 কোটি টাকা।
এর ফলে দেশের গয়না শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।