৯০ লাখে মেডিক্যালে ভর্তি! বাংলার চিকিৎসককে ফোন করে টোপ, অভিযোগ ঘিরে শোরগোল

ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই। কিন্তু তারপরও কি নিট পিজিতে চলছে জালিয়াতির খেলা?

পূর্ব বর্ধমান জেলার এক চিকিৎসকের অভিযোগ, তাকে ফোন করে এক ব্যক্তি নিট পিজিতে আসন পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ওএমআর সিটের নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার কথাও বলেছেন ওই ব্যক্তি।
টাকা হিসেবে চাওয়া হয়েছে মেডিসিন বিভাগের জন্য ৯০ লাখ, ডার্মাটোলজি বিভাগের জন্য ৭০ লাখ এবং গাইনোকোলজি বিভাগের জন্য ৬০ লাখ টাকা।

গত ১৬ই জুলাই রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে মেমারি পুরসভার হেলথ অফিসার তনবি আজমির মোবাইলে ফোন আসে।
অপর প্রান্তের ব্যক্তি নিজেকে নিট পিজি কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা বলে পরিচয় দেয়।
তিনি তনবিকে মোটা টাকার বিনিময়ে নিট পিজিতে ভর্তি করে দেওয়ার প্রস্তাব দেন।
তনবি এই কথোপকথন রেকর্ড করে রাখেন এবং পরে মেমারি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

তনবির বাবা বলেন, “এই ধরণের দুর্নীতি বন্ধ করতে হবে। আমরা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। আশা করি তারা দ্রুত পদক্ষেপ নেবে।”
অ্যাসোসিয়েশন অফ হেলথ সার্ভিস ডক্টর্স রাজ্য পুলিশের ডিজিকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছে।
সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক সুবর্ণ গোস্বামী দাবি করেছেন, জেলায় আরও তিনজন চিকিৎসককে একই ধরণের ফোন করা হয়েছে। তিনি প্রশাসনকে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

নিট পিজির প্রবেশিকা পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই।গত মঙ্গলবার এই মামলায় মূল অভিযুক্ত সহ দুই জনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাথমিক অনুমান, ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগের ন্যাশানাল টেস্টিং এজেন্সির ট্রাক থেকে প্রশ্নপত্র চুরি হয়েছে।