জামালের অট্টালিকার সুইমিং পুলে ঘুরছে কচ্ছপ, উঠে এলো আরও তথ্য

সোনারপুরের জামাল সর্দার – এক নাম যা এখন আতঙ্ক ও বিতর্কের প্রতীক। একজন সাবেক মুহুরি থেকে প্রাসাদোপম বাড়ির মালিক, জামালের উত্থান ও পতন রহস্যময় ও দ্রুত। স্থানীয়রা বলছেন, তিনি শাসক দল ও পুলিশের একাংশের মদতে অত্যাচার চালিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এখন একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পলাতক অবস্থায় সে।

অত্যাচারের অভিযোগ:
এক মহিলার অভিযোগ, তাকে পায়ে লোহার বেড়ি দিয়ে বন্দি করে মারধর করা হয়েছিল।
আরেক মহিলা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামীকে উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধর করা হয়েছিল।
জামালের বিরুদ্ধে জমি দখল, জালিয়াতি ও টাকা আদায়ের অভিযোগও রয়েছে।

জামালের বিলাসবহুল জীবনযাত্রা:

জামালের দোতলা ঝাঁ চকচকে বাড়ি, বিশাল জমি, সুইমিং পুল, ঘোড়াশাল, হাতিশাল সহ বিলাসবহুল জীবনযাত্রা ছিল।
তার বাড়িতে 30 টিরও বেশি সিসি ক্যামেরা এবং নিরাপত্তার জন্য কর্মী নিয়োগ করা ছিল।
একজন সাবেক মুহুরি থেকে এত সম্পদ সে কিভাবে অর্জন করেছিল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

বন দপ্তরের ডিএফও মিলনকান্তি মণ্ডল বলেন, ‘জামাল সর্দারের বাড়িতে অবৈধ ভাবে ইন্ডিয়ান সফট শিল্ড টার্টেল রাখা আছে। ওই টার্টেল ধরা, মারা কিংবা পালন করা আইনত দণ্ডনীয়। দোষী প্রমাণিত হলে কমপক্ষে সাত বছরের জেল ও ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।’

বর্তমান পরিস্থিতি:

জামাল পলাতক এবং পুলিশ তাকে খোঁজ করছে।
তার দুই সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বন দপ্তর তার বাড়িতে অবৈধভাবে রাখা কচ্ছপের বিরুদ্ধে মামলা করেছে।
জামালের সম্পত্তির উৎস তদন্ত করছে পুলিশ।