পর্তুগাল-স্পেনে তীব্র তাপপ্রবাহ, প্রাণ হারিয়েছে তিন শতাধিক মানুষ

ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে ভয়াবহ দাবানল। পর্তুগাল, স্পেন ও ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলের দাবানল নিয়ন্ত্রণে শত শত ফায়ারফাইটাররা কাজ করছে। তবে ধারণা করা হচ্ছে, আগুন সহজে নিয়ন্ত্রণ হবে না। শনিবার (১৬ জুলাই) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

উত্তর পর্তুগালে স্প্যানিশ সীমান্তের কাছে ফোজ কোয়া এলাকায় একটি জলবাহী প্লেন বিধ্বস্ত হয়ে পাইলট মারা গেছেন। তাছাড়া ফ্রান্সের গিরোন্ডি অঞ্চলে দাবানল মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। এরই মধ্যে সেখানের ১২ হাজারের বেশি লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

দক্ষিণ স্পেনের কোস্টা দেল সোলের কাছে মিজাস পাহাড়ে ছড়িয়ে পড়া দাবানলের কারণে প্রায় দুই হাজার তিনশ লোককে পালিয়ে যেতে হয়েছে।

টরেমোলিনোসের সৈকত থেকে পাহাড়ে ধোঁয়ার বড় বড় কুণ্ডলি উঠতে দেখা গেছে। যেখানে বেশ কয়েকটি প্লেন আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

এদিকে একজন স্থানীয় বাসিন্দা ফ্রান্সের দক্ষিণ-পশ্চিম আটলান্টিক উপকূলের কাছে বনের দাবানলকে পোস্ট অপোক্যালিপ্টিক অনুভূতি বলে বর্ণনা করেছেন।

টেস্টে-ডি-বুকের কাছে বসবাসকারী ক্যারিন সংবাদমাধ্যম এএফপিকে বলেন, আমি এ রকম দৃশ্য আগে কখনো দেখিনি।

বুধবারের পর থেকেই অঞ্চলটিতে তাপমাত্রা বাড়ছে। এসময় পর্তুগালের তাপমাত্রা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ ডিগ্রি ও স্পেনে ৪০ ডিগ্রি। এতে দেশগুলোর বনাঞ্চল শুষ্ক হয়ে আগুন ধরে যাচ্ছে। ভয়াবহ তাপপ্রবাহে দেশ দুইটিতে তিন শতাধিক মানুষ এখন পর্যন্ত মারা গেছেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *