বিশেষ: অনর্গল বলতে পারে পশু-পাখি, ফলের নাম, ছোট্ট শ্রীনিধির নাম উঠলো রেকর্ডসে

বারাসাতের শেঠপুকুর এলাকার বাসিন্দা সন্দীপন দে রায় ও শুভেচ্ছা কুণ্ডু দম্পতির মেয়ে শ্রীনিধি দে রায় মাত্র ৯ মাস বয়সে কথা বলতে শুরু করেছিলেন। তখন থেকেই তিনি যা দেখেন বা শুনেন তা মনে রাখার অসাধারণ ক্ষমতা দেখাতে থাকেন।

১ বছর বয়সে, ফ্ল্যাশ কার্ড বা বই দেখানোর পরের দিনও শ্রীনিধি সেগুলো মনে রাখতে পারতেন। দেড় বছর বয়সে, তিনি ৫০ রকমের ফলের, পশুপাখির নাম এবং বিভিন্ন দেশের পতাকা বলতে পারতেন।

শ্রীনিধির অসাধারণ প্রতিভা লক্ষ্য করে, তার পরিবার বিভিন্ন সময়ে তার সাথে বিভিন্ন ধরণের কথা বলার অভ্যাস তৈরি করে। এর ফলে তার স্মৃতিশক্তি আরও দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

শ্রীনিধির মা শুভেচ্ছা কুণ্ডু বলেন, “ও খুব কম বয়স থেকেই কথা বলতে পারে। ১ বছর বয়সে যখন বিভিন্ন ফ্ল্যাশ কার্ড বা বই দেখাতাম, পরের দিনও ওর মনে থাকত। দেড় বছর বয়সেই ৫০ রকমের ফল, পশুপাখির নাম মনে রাখতে পারত। বিভিন্ন দেশের ফ্ল্যাগও বলতে পারত। যখন যা বলত, ভিডিও করে ফেসবুকে দিতাম। অনেকেই ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে আবেদন করতে বলেন। আমি সেখানে মেল করি। ওরা বিভিন্ন ভিডিও চেয়ে পাঠায়। সেই মতো পাঠিয়েছিলাম। সেখান থেকেই ওরা নির্বাচন করে।”

শ্রীনিধির অসাধারণ প্রতিভার কথা জেনে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস কর্তৃপক্ষ তার সাথে যোগাযোগ করে এবং তার বিভিন্ন ভিডিও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। এরপর শ্রীনিধিকে ‘সবচেয়ে কম বয়সে সবকিছু মনে রাখতে পারা শিশু’ হিসেবে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডসে স্থান দেওয়া হয়।

বর্তমানে, শ্রীনিধি তিন বছর বয়সী এবং তার স্মৃতিশক্তি আরও প্রখর হয়ে উঠেছে। তিনি ইংরেজি বর্ণমালা, গণিতের সূত্র, বিভিন্ন কবিতা এমনকি কিছু জটিল বিষয়ও মুখস্থ বলতে পারেন।

শ্রীনিধির অসাধারণ সাফল্যে তার পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত। তারা মেয়ের জন্য উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেন এবং তাকে সর্বোচ্চ শিক্ষা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।