সরকারি চাকরি পাকা করতে স্ত্রীকে অন্যের শয্যাসঙ্গী করার চেষ্টা! যুবকের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ

রতুয়ার এক যুবক নিজেকে পুলিশকর্মী পরিচয় দিয়ে এক যুবতীকে বিয়ে করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মালদার হরিশ্চন্দ্রপুর এলাকার ওই যুবকের বাড়িতেই বছর দেড়েক আগে সামাজিকভাবে বিয়ে হয়েছিল।

কিন্তু শ্বশুরবাড়িতে পা রাখার পরই নববধূ জানতে পারেন, তার স্বামী আসলে কোনও পুলিশকর্মী নন। তিনি চাকরি পেতে চেষ্টা করছেন।

নববধূর দাবি, তাকে চাকরি পেতে সাহায্য করার জন্য তাকে বিভিন্ন পুরুষের সাথে যৌন সম্পর্ক গড়ে তুলতে তার স্বামী জোর করতেন। তিনি রাজি না হওয়ায় শুরু হয় নির্যাতন।

এমনকি, স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অন্যান্য সদস্যরা নববধূকে চারবার খুন করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

তিনি ইতিমধ্যেই রতুয়া থানায় বধূ নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়েছেন। তবে, স্বামীর এই অত্যাচারের কথা সেখানে উল্লেখ করেননি তিনি।

অভিযুক্তরা ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন।

তাঁর দাবি, ‘‘আমি বাড়ির একমাত্র মেয়ে। বিয়েতে পাত্রকে যথাসাধ্য পণ দিয়েছিল বাবা-মা৷ বিয়ে করে স্বামীর ঘরে গিয়েই জানতে পারি, ও সরকারি চাকরি করে না। পুলিশে চাকরি করার মিথ্যে কথা বলে আমাকে বিয়ে করেছে। শুধু তাই নয়, অন্যের সঙ্গে রাত কাটানোর পরামর্শ দিয়েছিল। কিন্তু, আমি রাজি হয়নি। তারপরেই শুরু হয় অত্যাচার।’

ওই তরুণীর আরও দাবি, ‘শুধু স্বামী নয়, ওর বাবা-মা সহ বাড়ির সবাই আমার উপর অত্যাচার শুরু করে। মারধর লেগেই থাকত। খেতেও দিত না। তবু আমি ওর কথায় রাজি হইনি। শেষ পর্যন্ত ও আমাকে পূর্ণিয়ায় মামাশ্বশুরের বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে প্রথমে গলায় দড়ি দিয়ে, তারপর নদীতে ডুবিয়ে আমাকে খুনের চেষ্টা করা হয়। মোট চারবার আমাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিল ওরা। কিন্তু সফল হয়নি। শেষ পর্যন্ত কোনওরকমে ওদের হাত থেকে পালিয়ে বাপের বাড়িতে আসি।’