রেজিস্ট্রেশন ছিল না পোর্শের, অভিযুক্ত নাবালককে থানায় দেওয়া হচ্ছে পিৎজা-বার্গার?

২০০ কিলোমিটার বেগে বিখ্যাত রিয়েলটরের ১৭ বছরের নাবালক ছেলে, মদ্যপান করে ঝড়ের গতিতে পোর্শে গাড়ি চালিয়ে মোটরবাইকে ধাক্কা মারে।মোটরবাইকের দুই সওয়ারি প্রায় ২০ ফুট উড়ে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মারা যায়।১৫ মিনিটের মধ্যে নাবালককে গ্রেপ্তার করা হয়। কিন্তু মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই সে জামিন পেয়ে যায়।
জামিনের শর্তাবলী:
১৫ দিন ইয়েরওয়াড়ায় ট্র্যাফিক পুলিশের সঙ্গে কাজ করতে হবে।দুর্ঘটনা নিয়ে ৩০০ শব্দের রচনা লিখতে হবে।মদের নেশা ছাড়াতে ট্রিটমেন্ট এবং কাউন্সেলিং করাতে হবে।
১৭ বছরের এই কিশোর এক প্রভাবশালী ব্যবসায়ীর ছেলে। জানা যাচ্ছে, ঘটনার ঠিক আগে দু’দুটি পানশালায় মদ্যপান করেছিল সে। তার মধ্যে একটি পানশালায় মাত্র ৯০ মিনিটে ৪৮ হাজার টাকা উড়িয়েছিল।
পুনের পুলিশ কমিশনার অমিতেশ কুমার বলেন, ‘রবিবার রাত ১০টা বেজে ৪০ মিনিট নাগাদ পুনের কোসি নামে একটি পানশালায় গিয়েছিল অভিযুক্ত যুবক ও তার বন্ধুরা। সেখানে ৪৮ হাজার টাকার বিল পেমেন্ট করে সে। এরপর দ্বিতীয় পানশালার উদ্দেশে রওনা দেয় তারা। মধ্যরাত ১২টা ১০ মিনিট নাগাদ দ্বিতীয় পানশালা ব্ল্যাক ম্যারিয়টে যায় তারা। কোসিতে অতিরিক্ত মদ না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত ব্ল্যাক ম্যারিয়টে যায় অভিযুক্ত নাবালক।’
পুলিশ সূত্রে খবর, যে পোর্শে দিয়ে দুই ইঞ্জিনিয়ারকে চাপা দিয়ে ‘খুন’ করা হয়েছে, সেই গাড়িটির কোনও রেজিস্ট্রেশনই ছিল না। আরটিও সূত্রে খবর, বেঙ্গালুরুর এক গাড়ি ডিলারের মাধ্যমে পোর্শেটি কেনেন বিশাল। মার্চে গাড়িটি কেনা হয়েছিল। কিন্তু কোনও রেজিস্ট্রেশন করানো হয়নি গাড়িটির। গাড়ির মালিক আরটিওতে এসেছিলেন, কিন্তু গাড়ির রেজিস্ট্রেশন ফি না দেওয়ায় কোনও নম্বরপ্লেটও দেওয়া হয়নি। ফলে রেজিস্ট্রেশন ছাড়াই গাড়িটি মার্চ মাস থেকে রাস্তায় চলছিল!
বিরোধীদের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাকে ‘ধামাচাপা’ দেওয়ার চেষ্টা করছে। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির অতুল লোন্ধের অভিযোগ, নাবালককে নাকি থানায় বসিয়ে ‘পিৎজা, বার্গার’ খাওয়ানো হয়েছে।