“আমাদের কিছু করার নেই!”-ভোটের জেরে বাসের আকাল নিয়ে মুখ খুললেন মন্ত্রী

মহানগরীর বাসিন্দারাই নয়, দুই ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, হুগলি, হাওড়া, দুই মেদিনীপুর সহ পার্শ্ববর্তী জেলা থেকেও প্রচুর মানুষ প্রতিদিন বিভিন্ন কাজে কলকাতায় যাতায়াত করেন। আর তাদের رفت و آمد-এর অন্যতম প্রধান মাধ্যম হল বাস।

কিন্তু নির্বাচনের কারণে বাস সংখ্যা কমে যাওয়ায় চলতি মাসের শেষের দিকে ও আগামী মাসের শুরুর দিকে কলকাতায় বাসের তীব্র ঘাটতি দেখা দিতে পারে। এর ফলে যাত্রীদের ব্যাপক দুর্ভোগের সম্মুখীন হতে হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বাস সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ:
নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী কাজে বহু সংখ্যক বাস requisition করেছে।অনেক বাস চালক নিরাপত্তার অভাবে কাজ করতে রাজি হচ্ছেন না।তেলের দাম বৃদ্ধি-র ফলে বাস ভাড়া বেড়েছে, তাই অনেক যাত্রী বাসে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছেন।

ভোট প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য বিভিন্ন রাজ্যেই প্রচুর পরিমাণে বাস নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ব্যতিক্রম নয় বাংলাও। রাজ্যের প্রধান শহর কলকাতা সহ বিভিন্ন জেলার ছবিটাও একইরকম। এক্ষেত্রে আগামী ১ জুন সপ্তম তথা শেষ দফার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ হতে চলেছে কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ সহ সংলগ্ন কয়েকটি লোকসভা আসনে। তবে কমিশন ভোটের কাজে অনেক বাস নিয়ে নেওয়ায় ওই সময় শহর কলকাতায় বাসের আকাল দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এই প্রসঙ্গে রাজ্যের পরিবহণমন্ত্রী স্নেহাশিস চক্রবর্তী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন প্রচুর সরকারি-বেসরকারি বাস তুলে নিয়েছে। এখন সঙ্গে সঙ্গে নতুন বাস কিনে তার বিকল্প কেউ যোগান দিতে পারে?’

তিনি বলেন, ‘এখন সাধারণ মানুষ জানে, রাস্তায় বাসের পরিমাণ কম থাকবে। এতে তো আমাদের কিছু করার নেই!’