‘ধর্মের ভিত্তিতে দেশভাগ চাইছে কংগ্রেস’,-ফের মুসলিম ইস্যুতে কংগ্রেস কে আক্রমণ মোদীর

২০২৪ এ লোকসভা নির্বাচনে সরগরম দেশের রাজনীতি। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা বিভিন্ন সভা ও মঞ্চে দিচ্ছেন তাদের ভাষণ।আবার কোথায়ও কোথাও চলছে একে অপরের বিরুদ্ধে কথার লড়াই। আবার কোথাও চলছে সরকারি সুবিধা ও অসুবিধা পাওয়া -না পাওয়ার বিষয়ে চর্চা।

এবার প্রধাণমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উত্তর প্রদেশের নির্বাচনী জনসভা থেকে কংগ্রেস কে করলেন আক্রমণ।

নির্বাচনী জনসভা থেকে বলেন, ‘কংগ্রেসের ইস্তেহারে স্বাধীনতা পূর্ববর্তী মুসলিম লিগের ছাপ স্পষ্ট। ৭৫ বছর আগে সংবিধান প্রণেতা বি আর আম্বেদকর এবং খোদ প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু স্পষ্ট বলেছিলেন এ দেশে ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণ হবে না। কিন্তু, আজ কংগ্রেস এবং ইন্ডি জোট চাইছে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ হোক। ধর্মের ভিত্তিতে ফের একবার দেশভাগ করতে উদ্যত ওরা।’

মোদী এদিন বলেন, ‘এখন তো মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষরাও বুঝে গিয়েছেন, এই ভোটব্যাঙ্ক রাজনীতিবিদদের থেকে দূরে থাকাই বাঞ্ছনীয়। আর সেই মুসলিম ভোটব্যাঙ্ক বাঁচানোর লক্ষ্যে তোষণের রাজনীতি করে চেলেছে ইন্ডি জোটের দলগুলি।’

তিনি বলেন, ‘সন্ত্রাসবাদীদের মুক্ত করার জন্য অফিসারদের চাপ দেওয়া হত। আর তেমনটা না করলেই সাসপেন্ড করে দেওয়া হত অফিসারদের। ভোটব্যাঙ্ক বাঁচানোর জন্য এমনই তোষণের রাজনীতি হয়েছে। সমাজবাদী পার্টি আর কংগ্রেসের এই রাজপুত্রদের জন্য এখন তোষণের রাজনীতিই সবচেয়ে বড়।’

তিনি আরও বলেন “‘২০১৪ সালের আগে কংগ্রেস এবং তাদের জোট সরকার কী কী কাজ করেছিল, তা আপনাদের সকলেরই জানা। দেশের কী হাল করেছিল, তা আপনারা নিজেরাই চোখে দেখেছেন। সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে এজেন্সিগুলিকে কোনও পদক্ষেপ নিতে দেওয়া হত না। সমাজবাদী পার্টির সরকার চলাকালীন এ রাজ্যে জঙ্গিদের স্লিপার সেল কাজ করত। খোলাখুলি সকলকে হুমকি দিত এই জঙ্গিরা। এজেন্সিগুলি অনেক তদন্ত চালিয়ে এই সন্ত্রাসবাদীদের গ্রেফতার করত, কিন্তু, সরকার চাপ দিয়ে তাদের মুক্ত করে দিত।’