সকাল থেকে বাড়ির সামনে জমতো লাইন! ২৬০০০ চাকরি বাতিল হতেই ফের সামনে সেই ‘সৎ রঞ্জন’ কান্ড

টাকার বিনিময়ে চাকরি বিক্রির অভিযোগে গত বছর ফেব্রুয়ারী মাসে গ্রেফতার হয়েছিলেন বাগদারের ‘সৎ রঞ্জন’ ওরফে চন্দন মণ্ডল।
চাকরি হারানোর ভয়ে সেই সময় থেকেই আতঙ্কে ছিলেন উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার মামাভাগ্নে গ্রাম।
এবার সেই আতঙ্ক সত্যি প্রমাণিত হল।
এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় হাই কোর্টের নির্দেশে চাকরি হারিয়েছেন 25,753 জন।
এই চাকরি হারানোদের মধ্যে আছেন উত্তর 24 পরগনার চন্দনের গ্রাম এবং তার আশপাশের এলাকার অনেকে।
হাই কোর্টের রায়ের পর দিনেও আধার নেমে এসেছে বাগদার মামাভাগিনা গ্রামে।
চাকরি যাওয়ার খবর মিলতেই দিশেহারা সকলে।
জানা গিয়েছে যে, কেবল রঞ্জনের গ্রামেই নয়, আশপাশের চড়ুইগাছি, কুরুলিয়া, রামনগর-সহ গোটা বাগদা ব্লকের প্রচুর ছেলেমেয়ের চাকরিহারা হয়েছে আদালতের এক রায়ে।
চন্দনের প্রতিবেশী, স্থানীয় একটি সমবায় সমিতির চেয়ারম্যান বলেন, ”যাদের চাকরি গিয়েছে, তাদের বেশ কয়েকজন অবৈধ ভাবে চন্দনকে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন বলেই মনে হচ্ছে।”
তবে সবাই এর মধ্যে পড়ে না। কিছু কিছু ছেলে-মেয়ে নিজের যোগ্যতাতেই চাকরি পেয়েছিল।
মামাভাগিনা গ্রামে চাকরিহারা এক যুবকের আত্মীয় বলেন, ”কয়েক বছর আগে চাকরি বিক্রির সময় চন্দন মণ্ডলকে টাকা দিয়ে ছেলের চাকরি হয়েছিল।”
চন্দন গ্রেফতারির পরই মুখ খোলেন তার গ্রামের বেশ কিছু লোকজন।
টাকার বিনিময়ে চাকরি কিনতে কীভাবে সকাল থেকেই চন্দনের বাড়ির সামনে লাইন পড়ে যেত, তাও জানিয়েছিলেন অনেকেই।
যদিও প্রথম থেকেই চন্দন দাবি করে এসেছেন, তিনি কারোর কাছ থেকে টাকা নেননি। চাকরি দিতেও পারেননি।
এই ঘটনা বাগদার মামাভাগিনা গ্রামে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।
চাকরি হারানোদের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত।