BigNews: “লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী চালু রাখতে তৃণমূলকে ভোট দিন”,-বললেন মমতা

২০২৪ এ লোকসভা নির্বাচনে সরগরম দেশের রাজনীতি। বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা বিভিন্ন সভা ও মঞ্চে দিচ্ছেন তাদের ভাষণ।আবার কোথায়ও কোথাও চলছে একে অপরের বিরুদ্ধে কথার লড়াই। আবার কোথাও চলছে সরকারি সুবিধা ও অসুবিধা পাওয়া -না পাওয়ার বিষয়ে চর্চা।
মহুয়া মৈত্রর সমর্থনে রবিবার প্রথম ভোট প্রচার শুরু করে মমতা বললেন, “বাংলা থেকে এবং দেশ থেকে বিজেপিকে হঠাবো। অন্নপূর্ণা পুজোর নবমীর দিন ওরা দাঙ্গা করতে চাইবে। কেউ প্ররোচনায় পা দেবেন না। কংগ্রেস-সিপিএম যদি বলে তারা ইন্ডিয়া জোটের দল, ভোট চায়, মানবেন না। বলবেন, ইন্ডিয়া জোটের নাম দিয়েছি আমি, তৃণমূলের বিরুদ্ধে বাংলায় ওরা লড়ছে।”
মনতা বলেন, “অল ইন্ডিয়ায় ইন্ডিয়া জোটের নাম আমি দিয়েছি। ভোটের পর বুঝে নেব। আমিবএকা লড়ছি। একলা। শুনছি সিপিএম-কংগ্রেস একজোট হয়ে লড়ছে। এখানে তো ইন্ডিয়া জোটের অ্যালায়েন্সই হয়নি। কেন সিপিএম, কংগ্রেসকে ভোট দেবেন? ওরা তো বিজেপির হাত শক্ত করছে, কংগ্রেস, সিপিএম,আইএসএফকে ভোট দেওয়া মানে বিজেপিকে ভোট দেওয়া, এখানে যেটা হয়েছে সেটা ঘোট”, ঠিক এই ভাবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কৃষ্ণনগরে মহুয়া মৈত্রর কেন্দ্রে প্রথম নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন।”
মমতা এদিন বলেন, “বিজেপি বলছে ৪০০-র বেশি আসন পাবে, তাহলে কেন ইডি? কেন সিবিআই? কেউ কোনওদিন শুনেছেন যার বিয়ে সেই পুরোহিত? মনে রাখবেন বিজেপি বাংলায় গো হারা হারবে। এখানে একটাও সিট পাবে না।”
মমতা বলেন, “২ কোটি ১৩ লক্ষ মহিলা সারা জীবন লক্ষ্মীর ভান্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, কন্যাশ্রী, ঐক্যশ্রী, মেধাশ্রী পাবেন, কেউ আটকাতে পারবে না।”
সিএএ প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মমতা বলেন, “সিএএ হল মাথা আর লেজটা হচ্ছে এনআরসি। দেখবেন সেই কারণে বিজেপির কোনও প্রার্থী সিএএ-তে আবেদন করেনি।”
সিপিএমকে সমালেচনা করে বলেন, “এদের ভোট দেবেন? ১২ বছর দেখেছেন মিথ্যে ছাড়া কিছু হয়নি। মহুয়াকে হারানো ওদের লক্ষ্য, কারণ মহুয়া সংসদে জোরে কথা বলে, তাই তাঁকে সংসদ থেকে তাড়িয়েছে। যদি লক্ষ্মীর ভান্ডার, কন্যাশ্রী সহ সব পেতে চান তাহলে তৃণমূলকে ভোট দিন। না হলে সব হারাবেন।”
মমতা বলেন, “দেশ আজ ভালো নেই। কি করে ভালো থাকবে? আমার ভোট ম্যানেজারদের ভোটের আগে কেন এনআইএ নোটিশ দিয়ে ধরা হচ্ছে? আপনারা নাকি ৪০০ আসন পাবেন? একটা কংগ্রেস, সিপিএম-এর গায়ে তো হাত পড়েনি!অরবিন্দকে গ্রেফতার করে কিছু করতে পেরেছেন? তাঁর কাজ হচ্ছে। জনতার গর্জন, বিজেপির বিসর্জন। খেলা হবে। জয় বাংলা।”