OMG! যশ-নুসরাতের দিন শুরু হতো বনবিড়ালের মল থেকে বের হওয়া কফিতেই

জগতজুড়েই কফি একটি জনপ্রিয় পানীয়। ক্লান্তি কাটাতে অনেকেই কফি পান করে থাকেন। তরুণ থেকে শুরু করে নানা বয়সের মানুষদের কাছে নানা স্বাদ ও পদের কফি পছন্দ। তাই বলে বনবিড়ালের মল দিয়ে বানানো কফি খাবে মানুষ! কলকাতার গণমাধ্যম আনন্দবাজার তো এমন দাবিই করলো নুসরাজ জাহান ও যশ জুটিকে নিয়ে।
ছুটি কাটাতে গিয়ে নতুন করে কফির প্রেমে মজেছিলেন যশ ও নুসরাত। দু’জনে মিলে লুওয়াক কফি বানালেন আর খেলেন। কেমন সেই অভিজ্ঞতা?

আনন্দবাজার অনলাইনকে নুসরাত জানান[- ইন্দোনেশিয়ার জঙ্গলে এক ছায়াঘেরা কটেজ। পাশে ঢালু বেয়ে পাথরের সিঁড়ি নেমে গিয়েছে। নুসরাতকে ইশারায় ডাকলেন যশ, নুসরাত এলেন। হাতে ধরলেন কফি গাছের ডাল। যশ ততক্ষণে খাঁচাবন্দি বনবিড়ালের সামনে। সব মিলিয়ে ইঙ্গিতটা স্পষ্ট, তারা এখন কফি বানাতে চলেছেন। ইন্দোনেশিয়ায় বেড়াতে গিয়ে কফি দিয়েই দিন শুরু করতেন নুসরাত আর যশ।

সকালের কফি নিজেরাই রোস্ট করে বানিয়ে খেয়েছেন। দু’জনেই দুরন্ত কফিপ্রেমী।

তবে এ তো যে-সে কফি নয়! ইন্দোনেশিয়ার বিখ্যাত লুওয়াক কফি। যার নাম শুনলে অবশ্য অনেকেই নাক সিটকান। কারণ, এ কফি সিভেট ক্যাটের মল নিঃসৃত। বনবিড়ালের পাকস্থলী হয়ে মলের সঙ্গে বেরিয়ে আসে এই কফির দানা। তারপর এগুলো শুকিয়ে রোস্ট করা হয়। এ কফির স্বাদ নাকি স্বর্গীয়।

নুসরাত আর যশও উপভোগ করেছেন সেই লুওয়াক কফি। নুসরাত গরম জলে ফুটিয়ে শুকিয়েছেন। হামানদিস্তায় কফি গুঁড়ো করেছেন যশ। তারপর অপূর্ব ঘ্রাণ উপভোগ করতে করতে হৃদয় জুড়িয়েছেন দু’টিতে, জুটিতে।

সেই মজাদার অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিলেন বৃহস্পতিবার। নুসরাত লিখলেন, ফিরে দেখা মধুর সফর, সঙ্গে যদি জুড়ে যায় এমন কফি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *