‘সিরিয়াল কিলিং’-এর দায়ে মৃত্যুদন্ড, কিন্তু ৪০ বছরেও হয়নি কার্যকর! জেনেনিন কারণ?

চার দশক আগে ‘সিরিয়াল কিলিং’-এর অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল টমাস ক্রিচকে। সেদিনের যুবক এখন তিয়াত্তরের বৃদ্ধ! কিন্তু এত দিনেও সেই সাজা কার্যকর করা গেল না।
কোর্টের রায় মেনে এর মধ্যে অন্তত আট বার ঘাতক ইঞ্জেকশন পুশ করার চেষ্টা করেছেন আমেরিকার ইদাহো প্রদেশের জেল-ডাক্তাররা!কিন্তু একবারও ক্রিচের ‘ভেইন’ মেলেনি!শেষমেশ তাই হাল ছেড়ে দিলেন কারা কর্তৃপক্ষ।
আপাতত, স্থগিত মৃত্যুদণ্ডও।নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক কারা-কর্তার কথায়— ‘কতদিনের মধ্য সাজা কার্যকর করতে হবে, কিংবা আদৌ এই সাজা বহাল থাকবে কি না, এই নিয়ে আমাদের কোনও ধারণা নেই।’
জেল সূত্রে খবর, আট বারই ‘এগজিকিউশন চেম্বারে’ ঘণ্টাখানেক হাত-পা শক্ত করে বেঁধে বসিয়ে রাখা হয়েছিল ক্রিচকে।প্রত্যেকবারই তার ভেইন পেতে কালঘাম ছুটে যায় চিকিৎসকদের।অপরাধীর টেনশন কিন্তু কমছিল না— কে জানে আবার ক’বার?
আপাতত মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হয়ে যাওয়ায় ক্রিচের হাসি চওড়া হয়েছে বলে কারা সূত্রের খবর।তবে তার অপরাধ যে মাত্রায়, তাতে এই হাসি বেশিদিন টেকার কথা নয় বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
১৯৮১ সালে জেলে থাকাকালীন সহবন্দিকে হত্যা করেছিল টমাস।অন্তত খানপাঁচেক খুনের অভিযোগে সেই সময়ে জেল হয়েছিল তার।যদিও টমাসের দাবি, এগুলি ছাড়াও অন্তত ১২টি খুন করেছে সে!
টমাসের ভেইন না পাওয়ায় বারবার স্থগিত হচ্ছে তার মৃত্যুদণ্ড।অনেকেই মনে করছেন, এভাবে বারবার সাজা স্থগিত হওয়া ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
আবার অনেকে মনে করছেন, টমাসের বয়স ও শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তার সাজা হ্রাস করা উচিত।
টমাসের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে কি না, তা এখনও অনিশ্চিত।আদালত এই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেবে।