পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে নেশার দ্রব্য বিক্রির চক্র! ব্রাউন সুগার সহ ধৃত ১ জন

পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে ব্রাউন সুগার সহ এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অভিযোগ, মন্দিরের ভিতরে বিক্রির জন্য ওই কিশোরকে কেউ বা কারা ব্রাউন সুগার দিয়েছিল।পুলিশ ওই যুবকের থেকে সমস্ত ব্রাউন সুগার বাজেয়াপ্ত করেছে।তদন্তের স্বার্থে কিশোরকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সিংহদ্বার থানায়।
ওই কিশোর মা বিমলা দেবীর মন্দিরের কাছে ঘোরাফেরা করছিল।সেই সময় মন্দিরে মোতায়েন এক নিরাপত্তাকর্মীর চোখে পড়ে লুকিয়ে লুকিয়ে একটি বাক্স খোলার চেষ্টা করছে সে।বিষয়টি দেখেই সন্দেহ হয় ওই নিরাপত্তারক্ষীর।কিশোরের হাতে থাকা বাক্সটিকে নিষিদ্ধ কোনও মাদক দ্রব্য আছে বলে সন্দেহ হয় তাঁর।সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি তিনি অন্যদের নজরে আনেন।কিশোরকে পরীক্ষা করে তার কাছ থেকে ব্রাউন সুগার উদ্ধার হয়।কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে দাবি করে, তাকে জনৈক ব্যক্তি ওই ব্রাউন সুগার দিয়েছিল মন্দিরে বিক্রির জন্য।
সম্প্রতি রাজ্যে মাদক পাচার ও বিক্রির ঘটনা বেড়েছে।কিছুদিন আগেই আলিপুরদুয়ারে প্রায় আড়াই কোটি টাকার ব্রাউন সুগার উদ্ধার করেছে পুলিশ।গোপন খবরের ভিত্তিতে কৈলাসহরে ব্রাউন সুগার সহ অসমের দুই মাদক পাচারকারীকে আটক করেছে পুলিশ।নৌবাহিনী ও NCB সম্প্রতি মাঝ সমুদ্রে ধাওয়া করে জাহাজ থেকে ৩৩০০ কেজির মাদক উদ্ধার করেছে।কুড়ি লাখ টাকার ব্রাউন সুগার সহ এক মাদক বিক্রেতাকে গ্রেপ্তার করেছে গোলাপগঞ্জ ফাঁড়ির পুলিশ।
এটি মাদক পাচার ও বিক্রির ক্রমবর্ধমান প্রবণতা নির্দেশ করে।ধর্মীয় স্থানগুলিকেও মাদকের কারবারের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।কিশোরদের মাদকের প্রতি আসক্তি বেড়ে চলেছে।
মাদক পাচার ও বিক্রির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।ধর্মীয় স্থানগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা উচিত।কিশোরদের মাদকের বিপদ সম্পর্কে সচেতন করা প্রয়োজন।