পুষ্পা-২! সিনেমার ট্রেলারই বাস্তব হয়ে ধরিয়ে দিল ৩ চোরাশিকারিকে

ব্লকবাস্টার দক্ষিণী ছবি ‘পুষ্পা’র ট্রেলারে অল্লু অর্জুন ওরফে পুষ্পাকে দেখা গিয়েছিল ‘ঝুঁকেগা নেহি’ মনোভাব নিয়ে বনের রাজা বাঘের সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে। কিন্তু বাস্তবে, তেলঙ্গানার নাল্লামালা জঙ্গলে চোরাশিকারিরা এমন ঝুঁকি নিতে পারেনি। বন দপ্তরের ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়ে গেছে তিনজন চোরাশিকারি, যাদের মধ্যে দু’জন বন দপ্তরেরই ঠিকাকর্মী।
গত ২ ফেব্রুয়ারি আমরাবাদ জঙ্গলের পান্ডিগুনাম রেঞ্জে ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছিল।২৩ ফেব্রুয়ারি ট্র্যাপ ক্যামেরার রেকর্ডিং পরীক্ষা করার সময় দেখা যায়, দুই চোরাশিকারি নীলগাই মেরে কাঁধে চাপিয়ে বাঘের জঙ্গল দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে।তাদের মুখের ছবি স্পষ্ট থাকায়, টাইগার রিজার্ভের ভিতরেই দাসারি লালু ও দাসারি শ্রীনু নামে দু’জন চোরাশিকারিকে ধরা পড়ে।তাদের জেরা করে জেলি কৃষ্ণা নামে আরও এক চোরাশিকারিকে ধরা হয়।তবে আরও একজন পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালায়।
চোরাশিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা:
লালু ও শ্রীনু বন দপ্তরের ঠিকাকর্মী ছিল।তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।তেলঙ্গানা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে আরও তদন্ত চালাচ্ছে।
চোরাশিকার রোধে পদক্ষেপ:
তেলঙ্গানা সরকার রাজ্যের সব জঙ্গলে এআই বেসড রিয়েল টাইম মনিটরিং সিস্টেম চালু করতে চায়।মধ্যপ্রদেশ ও তামিলনাডুতে ইতিমধ্যেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।ওডিশার সিমলিপাল জঙ্গলে রিমোট ইনফ্রারেড ক্যামেরার সাহায্যে ২৪X৭ নজরদারি চালানো হচ্ছে।তেলঙ্গানার বন দপ্তর ‘ক্যাচ দ্য ট্র্যাপ’ নামে একটি প্রজেক্ট শুরু করেছে।এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মনিটরিং বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
চোরাশিকার রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন। এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। রিয়েল পুষ্পাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বন দপ্তরকে সকলের সহযোগিতা করতে হবে।