‘অপ্রয়োজনীয় এফআইআর’,-হাইকোর্টের প্রশ্নের মুখে পড়লো পুলিশ

সন্দেশখালিতে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অশান্তির পরিবেশ বিরাজ করছে। বাসিন্দাদের একাংশের আতঙ্ক এখনও কাটেনি। বিভিন্ন অভিযোগ আসারও বিরাম নেই। এরই মধ্যে সন্দেশখালির ঘটনার প্রেক্ষিতে রুজু হওয়া দুটি মামলার তদন্তে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

একটি নিউজ় চ্যানেলের শীর্ষকর্তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় এফআইআর স্থগিত করতে গিয়ে বিচারপতি কৌশিক চন্দ্র মন্তব্য করেছেন, “যে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওঁর (শীর্ষকর্তা) বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে, হাইকোর্ট তা স্থগিত করল। গোটা তদন্ত প্রক্রিয়া ১২ সপ্তাহ স্থগিত থাকবে। যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেখানে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১৫৩ ও ৫০৫ ধারা প্রয়োগ করা যায় না বলে আদালত মনে করে।”

বিচারপতি আরও বলেছেন, “এখানে মোটিভ দেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর ইনটেনশন কী ছিল, সেটা বোঝা জরুরি। এক জন কী উদ্দেশ্যে এটা করেছেন, তা না-বুঝলে এই ধারা দেওয়ার কারণ স্পষ্ট করুন। তাঁরা যেমন ভুল খবর করেছেন, তেমন বার বার ভুল স্বীকার করেছেন। এটা অপ্রয়োজনীয় এফআইআর।”

অন্যদিকে, বিজেপি নেতা বিকাশ সিংহের দায়ের করা মামলায় তাঁর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার বলেন, “বিকাশ সিংহের গ্রেপ্তারিতে বিস্তর ত্রুটির কথা উল্লেখ করেছে বসিরহাট আদালত। এমনকী, যে অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেই অভিযোগে গ্রেপ্তারের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও বিচারক প্রশ্ন তুলেছেন।”

হাইকোর্টে জানানো হয়, একই মামলায় উত্তম সর্দার ও বিকাশ সিংহকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেখানে উত্তম সর্দার জখম হয়েছেন ও তাঁর চিকিৎসা করানো হয়েছে বলে পুলিশ দাবি করে। কিন্তু সেই চিকিৎসার কোনও নথি পুলিশ দেখাতে পারেনি, এমনটা হাইকোর্টের কাছে দাবি করা হয়েছে।