মধ্যরাত পর্যন্ত বৈঠকের পর ৩ শস্যে এমএসপি? মানলেন না আন্দোলনরত কৃষকরা!

ফসলের ন্যায্যমূল্য (এমএসপি) আইন, কৃষিঋণ মকুব-সহ একাধিক দাবিতে দিল্লি চলো আন্দোলন শুরু করেছিলেন কৃষকরা। দীর্ঘ আলোচনার পর কেন্দ্র সরকার কৃষকদের কাছে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে।
কেন্দ্রের প্রস্তাব:
আগামী পাঁচ বছর কৃষকদের থেকে ডাল, ভুট্টা এবং তুলো ন্যায্যমূল্যে কিনে নেওয়া হবে।ন্যাশনাল কো-অপারেটিভ কনজিউমার্স ফেডারেশন (এনসিসিএফ) এবং ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল কো-অপারেটিভ মার্কেটিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া (এনএএফইডি) এই কাজটি করবে।শস্য বিক্রির ক্ষেত্রে কোনও নির্দিষ্ট সীমা থাকবে না।একটি পোর্টালের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হবে।
কৃষকদের প্রতিক্রিয়া:
কৃষকনেতারা সরকারের প্রস্তাব বিবেচনা করে দেখার জন্য দু’দিন সময় চেয়েছেন।তাদের দাবি, শুধুমাত্র ন্যায্যমূল্যই নয়, এমএসপি আইনও চাই।
কৃষিঋণ মকুব, স্বামীনাথন কমিশনের প্রস্তাব কার্যকর, কৃষকদের জন্য পেনশন, গতবার বিক্ষোভের সময়ে কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআর প্রত্যাহার-সহএকাধিক দাবি রয়েছে তাদের।তাদের সব দাবি ও সমস্যা না মিটলে ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টা থেকে ফের ‘দিল্লি চলো’ যাত্রা শুরু করা হবে।
কেন্দ্রের দাবি:
কেন্দ্রের দাবি, তারা কৃষকদের সমস্যা মেটাতে যথেষ্ট উদ্যোগী।কৃষকদের বাকি দাবি মেটাতে গেলে বিস্তারিত আলোচনা প্রয়োজন।কৃষকরা কেন্দ্রের প্রাথমিক প্রস্তাব মেনে নিলে সেই পথেই বাকি আলোচনা এগোবে।নির্বাচন সামনেই, নতুন সরকার গঠন হবে… আলোচনা জারি থাকবে।
প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্য:
কৃষিব্যবস্থাকে নতুন পথে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে কৃষকদের উৎসাহিত করছেন প্রধানমন্ত্রী।জৈব চাষ এবং মিলেট উৎপাদনে জোর দেওয়া হচ্ছে।উদ্যোগপতি এবং কৃষকদের মধ্যে পার্টনারশিপের কথাও শোনা গিয়েছে মোদীর মুখে।
কেন্দ্রের প্রস্তাব কৃষকদের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য হবে তা সময়ই বলে দেবে।আলোচনায় সমাধান না বের হলে আবারও তীব্র আন্দোলনের সম্ভাবনা রয়েছে।