Mimi: অ্যাকাউন্টে ৭০ লাখেরও বেশি! জেনেনিন কত কোটির মালকিন অভিনেত্রী মিমি?

মিমি চক্রবর্তী এই মুহূর্তে আলোচনার কেন্দ্রে। তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি রাজনীতি তাঁর জন্য নয়, এমন মন্তব্যও শোনা গিয়েছে এই অভিনেত্রীর কণ্ঠে। এরপরেই তুঙ্গে চর্চা, তবে কি এবার রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিতে চলেছেন তিনি?

টেলি থেকে টলিউডে সাফল্য

টেলিভিশনে ‘গানের ওপারে’ সিরিয়ালের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা লাভের পর মিমি চক্রবর্তী টলিউডে পা রাখেন। ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’, ‘ভয়ংকর সুন্দর’, ‘কি করে তোকে বলব’ এর মতো একাধিক হিট সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দ্রুত খ্যাতির শিখরে পৌঁছান।

রাজনীতিতে প্রবেশ

২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে যাদবপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হন মিমি। তবে সংসদে তাঁর কর্মকাণ্ড নিয়ে বারবার বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি তিনি দলের অন্দরে ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগও তুলেছেন।

মিমির আয়-ব্যয়ের হিসাব

২০১৯ সালে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামাতে মিমি চক্রবর্তী জানিয়েছিলেন ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে তিনি আয় করেছিলেন ১৫ লাখ ৩৯ হাজার ৭১৭ টাকা। তাঁর কাছে ছিল দুটি গাড়ি, ৫ লাখ ৫৯ হাজার ১৩ টাকার গয়না এবং ১ কোটি ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৬৭৫ টাকার স্থাবর সম্পত্তি। তাঁর ঋণ ছিল ১৯ লাখ ৭৮৮ টাকা।

মিমির পদত্যাগের প্রভাব

মিমি চক্রবর্তী যদি রাজনীতি থেকে সরে যান, তাহলে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য তা একটি বড় ধাক্কা হতে পারে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই ঘটনা দলের ভাবমূর্তিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

মিমির ভবিষ্যৎ

মিমি চক্রবর্তী রাজনীতি ছেড়ে পুরোপুরি অভিনয়ে মনোনিবেশ করবেন, নাকি অন্য কোনও পথ বেছে নেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

আপনার মতামত

মিমি চক্রবর্তী কি রাজনীতি থেকে বিদায় নেওয়া উচিত? আপনার মতামত জানাতে ভোট করুন এবং কমেন্টে লিখুন।