‘চিনের পালং শাক’ পাওয়া যাচ্ছে মালদায়, পাক চই চাষে মোটা টাকা লাভ

বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকা সত্ত্বেও, চাষের পরিমাণ এখনও তুলনামূলকভাবে কম। মালদার কৃষক মনতোষ রাজবংশী প্রথম পাক চই চাষ করে ব্যাপক লাভ অর্জন করেছেন। গত বছর পরীক্ষামূলকভাবে চাষের সাফল্যের পর এই বছর থেকে তিনি বাণিজ্যিকভাবে পাক চই চাষ শুরু করেছেন।

পাক চই মূলত শীতকালীন সবজি। দেশীয় শীতকালীন সবজি চাষের পদ্ধতিতেই এই বিদেশি শাক চাষ করা যায়।

পাক চই মূলত চিনের সবজি। এটি চিনের পালং শাক নামে পরিচিত। দেখতে এবং খেতে অনেকাংশে স্থানীয় পালং শাকের মতো। বর্তমানে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে এই সবজি চাষ হচ্ছে। ফলে এর চাহিদাও ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

মূলত রেস্টুরেন্টগুলিতে এই সবজির চাহিদা অনেক বেশি। কারণ বর্তমানে রেস্টুরেন্টগুলিতে দেশীয় খাবারের চেয়ে বিদেশি খাবারের চাহিদা অনেক বেশি। পিজ্জা বার্গারের মতো খাবারে পাক চই ব্যবহার করা হয়। মালদা শহরেও একাধিক রেস্টুরেন্ট তৈরি হয়েছে যেগুলিতে বিদেশি খাবারের চাহিদা অনেক বেশি। ফলে এই বিদেশি সবজির চাহিদাও ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে মালদায়।

এই বাজার ধরতেই পুরাতন মালদার কৃষক মনতোষ রাজবংশী প্রথম পাক চই চাষ শুরু করেন। প্রথম বছর থেকেই তিনি ব্যাপক বিক্রি করছেন। বর্তমানে তিনি পাইকারি মূল্যে ৬০ টাকা কেজি দরে পাক চই বিক্রি করছেন। খোলা বাজারে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে এই সবজি।