‘চড়াম চড়াম’ করে ঢাকের পর ‘ডিজে বাজাবো’ লোকসভার আগে কুণালের মুখে অনুব্রতর ‘বাণী’

কেন্দ্রীয় বকেয়ার দাবিতে শুক্রবার থেকে ৪৮ ঘন্টার জন্য ধর্নায় বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।রেড রোডে অম্বেডকর মূর্তির সামনে টানা দুদিন ধর্না চলেছে মমতার।

রবিবার তৃণমূলের সেই ধর্নামঞ্চ থেকেই ‘কেষ্টর বাণী’ শোনা গেল কুণালের গলায়।তৃণমূল সর্বাধিক আসন পেয়ে লোকসভায় যাবে। ‘ইস বার চল্লিশ পার’।
সরকার যে-ই গঠন করুক, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই তার মূল নিয়ন্ত্রক শক্তি হবে।কেন্দ্রের সরকার আমাদের কথায় উঠবে, আর আমাদের কথাতেই বসবে।

বিরোধীদের বিরুদ্ধে কুণালের হুঁশিয়ারি:
মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিরোধীদের কুরুচিকর মন্তব্য করা নিয়ে এদিন তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে কুণাল বলেন, ‘আমাদের নেত্রী একবার অনুমতি দিন, কোনও রবীন্দ্র সঙ্গীত শোনানো হবে না, ওদের পিঠে ডিজে বাজানো হবে।’বিজেপির পুরনো কর্মীদের বলছি, দয়া করে কুকুর-বিড়ালগুলোকে দলে নেবেন না! পাগলা কুকুর কোলে নিলে, সে আপনাকেও ছাড়বে না। কামড়ে দেবে। পাগলা কুকুর আর বিষধর সাপ দেখলেই পিটিয়ে মেরে দিন!”

অনুব্রতর ‘চড়াম চড়াম’:

বিজেপিকে আক্রমণ করে কুণাল বলেন, ‘ওরা ভোটে না জিততে পেরে ইডি, সিবিআইকে নিয়ে লড়ছে। তৃণমূলের নেতা-নেত্রীদের নামে কুৎসা করছে।”
এরপরই মঞ্চ থেকে অনুব্রতর দেওয়া নিদান ঝালিয়ে কুণাল বলেন, “তবে ওদের যদি বীরভূমে ফের নকুল দানা, জল না খাওয়ানো হয়, চড়াম চড়াম ঢাক না বাজানো হয়, তাহলে এরা বুঝবে না। এঁরা গণতান্ত্রিক ভাবে লড়ছে না।”

কুণাল Ghosh রবিবার তৃণমূলের ধর্নামঞ্চে অনুব্রত মণ্ডলের ‘চড়াম চড়াম’ বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেছেন।এটি তৃণমূলের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী রাজনীতির ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।