বসানো হল স্থায়ী যমরাজের মূর্তি, হেলমেটহীন মোটরবাইক আরোহীদের সতর্ক করতে এই উদ্যোগ

দুর্গাপুর শহরের অন্যতম ব্যস্ত জায়গা গান্ধী মোড়ে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের সার্ভিস রোডের ধারে স্থায়ী ভাবে তৈরি হয়েছে লোহার তৈরি যমরাজের মূর্তি। উদ্দেশ্য, হেলমেটহীন মোটরবাইক ও স্কুটার আরোহীদের সচেতন করা।
মূর্তি দুটিতে দেখা যাচ্ছে, এক হাতে মদের বোতল আর অন্য হাতে মোটরবাইকের হ্যান্ডেল। মাথায় হেলমেট নেই। তবে কানে রয়েছে ওভার দ্য ইয়ার হেডফোন। মোটরবাইকে সওয়ার এমন এক বেপরোয়া যুবককে স্বাগত জানাতে সামনে হাজির স্বয়ং যমরাজ।
আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ কর্মসূচির অংশ হিসাবে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিসি (ট্র্যাফিক) ভিজি সতীশ পশুমার্থী বলেন, “আগের তুলনায় দুর্ঘটনা অনেক কমেছে। তবে হেলমেট পরা নিয়ে মোটবাইক ও স্কুটার আরোহীদের আরও সচেতন হতে হবে। এজন্যই এই স্থায়ী যমরাজের মূর্তি তৈরি করা হয়েছে।”
ট্র্যাফিক বিভাগের এক আধিকারিক বলেন, “কখনও সান্তাক্লজের সাজে, আবার কখনও যমরাজের সাজে রাস্তায় নেমে হেলমেটহীন মোটরবাইক ও স্কুটার আরোহীদের সচেতন করা হয়েছে। তা সত্ত্বেও অনেককে হেলমেট ছাড়াই মোটরবাইক, স্কুটারে যাতায়াত করতে দেখা যায়। অনেকে আবার কানে হেডফোন নিয়ে, মত্ত অবস্থায় মোটরবাইক চালায়। এদের মতো বেপরোয়া লোকজনকে সচেতন করতেই রাস্তার ধারে এবার স্থায়ী যমরাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বার্তা দেওয়া হয়েছে, মত্ত অবস্থায় হেলমেট ছাড়া মোটরবাইক চালালে বাড়ি নয়, সোজা যমরাজের কাছে পৌঁছে যাবেন।”
লোহার তৈরি মূর্তি দু’টি তৈরি করেছেন বিশ্বভারতীর কলা বিভাগের ছাত্র পলাশডিহার বাসিন্দা রঞ্জন কর্মকার। এদিন মূর্তি উদ্বোধনের পর স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে ট্র্যাফিক সচেতনতায় একটি পদযাত্রাও করা হয়।