Salute! ‘শ্যাম বাহাদুর’ই যেন অনুপ্রেরণা, নিরীহদের প্রাণ বাঁচাতে জীবন দিলেন IAF পাইলট

গ্রামের কয়েকশ প্রাণ বাঁচাতে নিজের জীবন দিলেন স্কোয়াড্রন লিডার অভিমন্যু রাই। গত মাসে হায়দারবাদ এয়ারফোর্স অ্যাকাডেমি থেকে একটি ট্রেনার জেট নিয়ে আকাশে ওড়ছিলেন তিনি। হঠাৎ করেই বিমানে যান্ত্রিক গোলযোগ সৃষ্টি হয়। বিমানটি একটি গ্রামের উপরেই ছিল।
বিমানটি সেখানেই ভেঙে পড়তে পারত। কিন্তু অভিমন্যু রাই তা হতে দেননি। সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন বিমানটি অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার। তিনি গ্রাম থেকে দূরে একটি জায়গায় নিয়ে যান বিমানটি। আর সেখানেই ভেঙে পড়ে ঐ বিমান। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মারা যান অভিমন্যু রাই।
বায়ু সেনার আধিকারিকরা জানিয়েছে, স্কোয়াড্রন লিডার অভিমন্যু রাই অভিমন্যু চাইলে জেট বিমান থেকে লাফিয়ে বেরিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাতে পারতেন। তবে সেক্ষেত্রে নিকটবর্তী গ্রামটি হয়ত শেষ হয়ে যেতে পারত।
প্রয়াত স্কোয়াড্রন লিডারের স্ত্রী অক্ষতা রাইও বায়ুসেনার একজন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার। এমনকি তার গোটা পরিবারের সাথেই সেনাবাহিনীর যোগসূত্র রয়েছে। তার বাবা বিমানবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত গ্রুপ ক্যাপ্টেন এবং তার শ্বশুর ভারতীয় নৌবাহিনীতে একজন কর্মরত ভাইস-এডমিরাল। নিজেকে মোটিভেটেড রাখতে দেশের বীর যোদ্ধাদের জীবনকাহিনী পড়তেন অভিমন্যু রাই।
অভিমন্যু রাইয়ের মৃত্যুর পর তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় হায়দ্রাবাদে। তার বাবা জানান, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী-সহ ভিভিআইপিদের বিমান চালানোর দায়িত্ব থাকা নয়জন পাইলটের একজন ছিলেন অভিমন্যু। তিনি আরও বলেন, ‘অভিমন্যু তাঁর নয় বছরের মেয়াদে ছয়টি ভিন্ন বিমান উড়িয়েছেন যা কারও পক্ষে সহজ নয়। তিনি তার ব্যাচমেট এবং জুনিয়রদের ভালবাসতেন।’