রানিগঞ্জের ঘটনায় শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয় কোন কৌশলে? এবার উত্তরকাশীতে ডাক পেল ECL

১৯৮৯ সালের ১৩ নভেম্বর রানিগঞ্জের মহাবীর কয়লা খনিতে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছিল। খনির ভিতরে ডিনামাইট বিস্ফোরণের ফলে খনিতে প্রচুর পরিমাণে জল ঢুকে পড়ে। এতে খনিতে কাজ করছিলেন ৬৫ জন শ্রমিক আটকা পড়েন। তিন দিন পর উদ্ধারকারী দল তাদের উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। এই উদ্ধার অভিযান ছিল অত্যন্ত কঠিন এবং ঝুঁকিপূর্ণ। উদ্ধারকারী দল মাটি কেটে নতুন একটি সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিলেন। সেই সুড়ঙ্গ দিয়ে একটি ক্যাপসুল খনিতে নামানো হয়। এই ক্যাপসুলে করে একের পর এক শ্রমিকদের উদ্ধার করা হয়েছিল।
উত্তরকাশীর নির্মীয়মান সুড়ঙ্গে ধসের কারণে ১০ দিন ধরে আটকে আছেন প্রায় ৪০ জন শ্রমিক। তাদের উদ্ধারের জন্য কয়লা মন্ত্রক ১৯৮৯ সালের মহাবীর কয়লা খনি দুর্ঘটনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাইছে।
কয়লা মন্ত্রকের নির্দেশে কোল ইন্ডিয়ার ডিরেক্টর ইসিএল-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। ইসিএল কর্তৃপক্ষ ১৯৮৯ সালের উদ্ধার অভিযানের সমস্ত বিবরণ কয়লা মন্ত্রককে দিয়েছেন।
উত্তরকাশীর উদ্ধার অভিযানে যে সুড়ঙ্গ তৈরি করা হচ্ছে সেটিও ১৯৮৯ সালের সুড়ঙ্গের মতোই হবে। এই সুড়ঙ্গ দিয়ে একটি ক্যাপসুল নামানো হবে। এই ক্যাপসুলে করে শ্রমিকদের উদ্ধার করা হবে।
ইতিমধ্যে উত্তরকাশীর নির্মীয়মান সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শ্রমিকরা আপাতত সুস্থ আছেন।
শ্রমিকদের যেখানে আটকে রাখা হয়েছে সেখান পর্যন্ত পাঁচটি আলাদা পথ তৈরি করা হচ্ছে। এর মধ্যে দুটি পথের ড্রিলিংয়ের কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।
উদ্ধারকারী দল আশা করছে, খুব দ্রুতই শ্রমিকদের উদ্ধার করা সম্ভব হবে।