SPORTS: রোহিতের ক্যাচে ঈশ্বরকেও ধন্যবাদ হেডের, বিশ্বকাপ জিতে কি বললেন ম্যাচের সেরা পারফর্মার?

ট্র্যাভিস হেডের বিশ্বকাপের গল্পটা অবিশ্বাস্য। শুরুতে চোটের কারণে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। এরপর সেমিফাইনাল ও ফাইনালে ম্যাচের সেরা হন। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ৯৭ বলে ১১২ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলে অস্ট্রেলিয়াকে বিশ্বকাপ জিততে সাহায্য করেন তিনি।

হেডের এই পরিবর্তনের জন্য তার কঠোর পরিশ্রম ও ভাগ্যের ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তিনি নিজেও বলেছেন, “আমি কঠোর পরিশ্রম করেছিলাম। তারই দাম পেলাম হয়তো। তবে, এত দর্শকদের সামনে টিমের জন্য কিছু করতে পারাটা অসাধারণ অনুভূতি।”

হেডের ইনিংসটি ছিল বেশ চ্যালেঞ্জিং। ভারতের বোলাররা তাকে বেশ চাপে ফেলেছিলেন। কিন্তু তিনি ধৈর্য ধরে খেলেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত জয়ের পথে অস্ট্রেলিয়াকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

হেডের এই ইনিংসটি শুধু অস্ট্রেলিয়াকেই নয়, পুরো বিশ্বকেই মুগ্ধ করেছে। তিনি এখন অস্ট্রেলিয়ান দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।

রোহিত শর্মার নেওয়া তাঁর ক্যাচই ফাইনাল ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। যে ক্যাচ নিয়ে হেডের সরল স্বীকারোক্তি, ‘ক্যাচটার জন্য কিছুটা কিছুটা তো ভাগ্যকে কৃতিত্ব দিতেই হবে।’

মার্নাস লাবুশেনের অবদান

হেডের ইনিংসের পাশাপাশি মার্নাস লাবুশেনের অবদানও ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ৭৭ বলে ৮৯ রান করেছিলেন। হেড ও লাবুশেনের জুটিতে অস্ট্রেলিয়া ১৫২ রানের জুটি গড়েছিল। এই জুটিই অস্ট্রেলিয়াকে ভারতের বিপক্ষে জয়ের পথে নিয়ে গিয়েছিল।

লাবুশেন ম্যাচ শেষে বলেছেন, “আমার কেরিয়ারের সেরা দিন। সেরা মুহূর্ত। টিমের জন্য যেটুকু করতে পেরেছি, কোনওদিন ভুলব না। আমি নিজের উপরে এবং ঈশ্বরের উপরে বিশ্বাস রাখি। সেখান থেকেই এই বিশ্বকাপ জয় আমাদের প্রাপ্তি।”

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কামিন্স

টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। ম্যাচের শুরুতে তা নিয়ে নানা মতামত চলছিল। অস্ট্রেলিয়া যদি হেরে যেত, তা হলে হয়তো এই কারণেই জবাবাদিহি করতে হত কামিন্সকে। জেতার পরে অবশ্য হেড বলেছেন, “টস জিতে আগে বল করাটা অসাধারণ সিদ্ধান্ত। পরের দিকে উইকেট ব্যাটারদের জন্য সহজ হয়ে গিয়েছিল। আমরা সুবিধে পেয়েছি।”

অস্ট্রেলিয়ার ছয় নম্বর বিশ্বকাপ জয়

ট্র্যাভিস হেডের অবিশ্বাস্য ইনিংসের সাহায্যে অস্ট্রেলিয়া ৯ উইকেটে ভারতকে হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতল। এটি অস্ট্রেলিয়ান দলের ক্রিকেটের ইতিহাসে এক অসাধারণ অর্জন।