পাখিদের ক্ষতি এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত, দীপাবলিতে বাজি ফাটান না এই গ্রামের বাসিন্দারা

দীপাবলি মানেই আলোর উৎসব। এই উৎসবে আতসবাজি পোড়ানো একটি ঐতিহ্য। কিন্তু আতসবাজির বিস্ফোরণে পরিবেশ দূষণ হয় এবং পশু-পাখিদের ক্ষতি হয়।

তামিলনাড়ুর তিরুপাথুর জেলায় অবস্থিত কল্লুকুদিপট্টি গ্রামে এই ঐতিহ্যকে ভেঙে দিয়েছে গ্রামবাসীরা। কয়েক দশক ধরে এই গ্রামে আতসবাজি পোড়ানো হয় না।

গ্রামের কাছেই অবস্থিত ভেট্টাগুডি পক্ষী অভয়ারণ্যে দিওয়ালির সময় প্রচুর পরিযায়ী পাখি আসে। সুইৎজারল্যান্ড, রাশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও শ্রীলঙ্কা থেকে উড়ে আসে এই পাখিগুলি। শীত আসার আগে এই সময়টাতে প্রায় ১৫ হাজার পাখির সমাগম ঘটে এই স্থানে। প্রায় ২০০-এর বেশি প্রজাতির পাখি আসে এখানে।

এই পাখিদের ক্ষতি এড়াতেই গ্রামের মানুষ আতসবাজি বর্জন করেছে। গ্রামের বাসিন্দারা জানান, তারা ছোটবেলা থেকেই এই পাখিদের আসতে দেখেছেন। সেই থেকেই তারা আতসবাজি বর্জন করে আসছেন।

গ্রামের বাসিন্দা রামচন্দ্র বলেন, “আমরা তখন ১০ বছর বয়স। সেই সময় থেকে গ্রামে পরিযায়ী পাখি আসতে দেখেছি। তখন থেকেই আমরা দীপাবলির সামনে আতসবাজি ফাটাই না। শিশুরা বাজি ফাটাতে ভালোবাসলেও পাখিদের কথা মাথা রেখে বাজি ফাটায় না তারাও।”

গ্রামের আরেক বাসিন্দা মহেশ্বরী বলেন, “এই গ্রামে ২৫ বছর হল এসেছি। আমরা এই পাখিদের জন্যই বাজি ফাটিয়ে দীপাবলি উদযাপন করি না।”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *