ক্লাস টেন পাশ করতেই ভাঙছে কলম, বিহারে ৮৫ শতাংশই ফেল ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষায়

বিহারের জাতিগত গণনায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে বর্তমানে স্নাতকের সংখ্যা মাত্র ৮০ লাখ। যা, মোট জনসংখ্যার মাত্র ৬.১১ শতাংশ। স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৬ হাজার ৭০০। যা, রাজ্যের মোট জনসংখ্যার মাত্র ০.৮২ শতাংশ।
বিহারে ১০ম শ্রেণি উত্তীর্ণের সংখ্যা ১৯ কোটি ২২ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৭। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ১৪.৭১ শতাংশ। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করেছেন ১ কোটি ২০ লাখ ১২ হাজার ১৪৬ জন। অর্থাৎ মোট জনসংখ্যার ৯.১৯ শতাংশ।
বিহারে ১৫ লাখ লোকের কাছে ইন্টারনেট সংযোগ সহ ল্যাপটপ রয়েছে। এই সংখ্যা, মোট জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশেরও কম।
বিহারে বর্তমানে সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা ২০ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭০। মোট জনসংখ্যার ১.৫৭ শতাংশ। সংগঠিত এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন ১.২২ এবং ২.১৪ শতাংশ মানুষ। মোট জনসংখ্যার ৬৭.৫৪ শতাংশ গৃহিণী এবং পড়ুয়া। শ্রমিক রয়েছেন ২ কোটি ১৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৬৩৪। যা, মোট জনসংখ্যার ১৬.৭৩ শতাংশ।
বিহারের শিক্ষার হারের সাথে সাথে কর্মসংস্থানের হারও নিম্ন। রাজ্যে সরকারি কর্মচারীর সংখ্যা মাত্র ১.৫৭ শতাংশ। সংগঠিত এবং অসংগঠিত ক্ষেত্রে কাজ করেন ১.২২ এবং ২.১৪ শতাংশ মানুষ। শ্রমিক রয়েছেন ১৬.৭৩ শতাংশ।
বিহারে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা সহ ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর সংখ্যাও খুব কম। মোট জনসংখ্যার মাত্র ২ শতাংশের কাছে ল্যাপটপ রয়েছে।
বিহারের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের চিত্র উদ্বেগজনক। রাজ্যে শিক্ষার হার এবং কর্মসংস্থানের হার উভয়ই নিম্ন। এই সমস্যাগুলি সমাধানের জন্য সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।