সাবধান! যে কোনও মুহূর্তে হতে পারে ভয়াবহ ভূমিকম্প! সতর্ক করলো বিশেষজ্ঞেরা

গত ৪ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে নেপালের দোতি জেলার কাছে ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর আগেও চলতি মাসে দুবার নেপালে ভূমিকম্প হয়েছিল। এই ভূমিকম্পের ফলে দিল্লি-NCR, উত্তর প্রদেশ, বিহারেও কম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় টেকটনিক প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্ষের ফলে হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। ভারতীয় প্লেট উত্তরদিকে অগ্রসর হওয়ায় এই সংঘর্ষ ঘটছে। এই সংঘর্ষের ফলে হিমালয়ের পাদদেশে চাপ তৈরি হচ্ছে, যা ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে।

ওয়াদিয়া ইনস্টিটিউট অফ হিমালয়ান জিওলজির প্রাক্তন অধ্যাপক এবং ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ অজয় পাল বলেন, “যে কোনও মুহূর্তে হিমালয় এলাকায় বড়সড় একটি বিধ্বংসী ভূমিকম্প হতে পারে। সাধারণ মানুষকে প্রস্তুত এবং সতর্ক থাকতে হবে।”

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, রিখটার স্কেলে ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারে যে কোনও সময়। তবে ঠিক কোন সময় এই ভূমিকম্প হতে পারে, তা এখনও স্পষ্টভাবে জানাননি বিজ্ঞানীরা।

হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্পের কারণ

হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্পের প্রধান কারণ হল ভারতীয় টেকটনিক প্লেট এবং ইউরেশিয়ান প্লেটের সংঘর্ষ। ভারতীয় প্লেট উত্তরদিকে অগ্রসর হওয়ায় এই সংঘর্ষ ঘটছে। এই সংঘর্ষের ফলে হিমালয়ের পাদদেশে চাপ তৈরি হচ্ছে, যা ভূমিকম্পের কারণ হতে পারে।

হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্পের প্রভাব

হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্প হলে বিস্তীর্ণ এলাকায় ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে। ভবন ভেঙে পড়া, রাস্তার ক্ষতি, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়া, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হওয়া ইত্যাদি হতে পারে।

হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্প থেকে বাঁচার উপায়

হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্প থেকে বাঁচার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে:

ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পাওয়া গেলে, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন।
ভূমিকম্পের সময়, টেবিলের নিচে বা কোনও শক্ত আসবাবের নিচে লুকান।
ভূমিকম্পের পর, বিদ্যুৎ, গ্যাস, জল সরবরাহের মতো পরিষেবাগুলি পরীক্ষা করে নিন।
ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে দূরে থাকুন।

ভারতবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান
হিমালয়ের পাদদেশে ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে। তাই ভারতবাসীকে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভূমিকম্পের পূর্বাভাস পাওয়া গেলে, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে।