OMG! ৯ তলা থেকে সজোরে ঝাঁকুনি দিয়ে পড়ে গেলো লিফট, তবে রক্ষা পেলো মহিলা-শিশু?

গাজিয়াবাদের সিদ্ধার্থ বিহারের প্রতীক গ্যান্ড সোসাইটিতে শনিবার রাতে লিফট দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। নয় তলা থেকে সরাসরি বেসমেন্টে আছড়ে পড়ে লিফট। তবে বরাতজোরে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে মহিলা ও শিশুর মানসিক অবস্থা ভেঙে পড়েছে।

জানা গেছে, সোসাইটির বাসিন্দা গুরপ্রীত কাউর ও তার তিন বছরের ছেলে নিমরিতকে নিয়ে লিফটে উঠেছিলেন। লিফটটি নবম তলায় পৌঁছেই হঠাৎ করে ভেঙে গিয়ে বেসমেন্টে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার সময় লিফটের দরজা বন্ধ ছিল। গুরপ্রীত ছেলেকে আঁকড়ে ধরে দরজা খুলতে চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু দরজা খোলেনি। কিছুক্ষণ পর লিফটটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে উপরে উঠে থামে। তখন দরজা খুলে যায়। গুরপ্রীত ও নিমরিত লিফট থেকে বেরিয়ে আসেন।

গুরপ্রীতের স্বামী আকাশদীপ শর্মা জানান, শনিবার রাত ১০টা নাগাদ গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে লিফটে উঠেছিলেন স্ত্রী ও ছেলে। তাঁদের গন্তব্য ছিল ১৭ তলা। সোসাইটির আরও দুজন বাসিন্দা লিফটে ছিলেন তাঁদের সঙ্গে। তাঁরা নেমে গিয়েছিলেন নয় তলায়। এরপর লিফটের দরজা বন্ধ হতেই বিপত্তি ঘটে। নীচের দিকে লিফটি পড়তে শুরু করে কয়েক সেকেন্ডের জন্য। সেই সময় বিশাল ঝাঁকুনি হচ্ছিল লিফটে। আছড়ে পড়তে শুরু করে লিফটটি। গুরপ্রীত প্রাণপণে লিফটের অ্যালার্ম বোতামে চাপ দিলেও কাজ করেনি সেটি। লিফটের মধ্যে দু’জনে আপ্রাণ চেঁচামেটি করার পরও তাঁদের কেউ বাঁচাতে আসেননি বলে অভিযোগ। এর প্রায় মিনিট পনেরো পরে লিফটটি নিজে থেকেই উপরে গিয়ে থামে এক তলায়। তখন খুলে যায় লিফটের দরজা।

আকাশদীপ জানান, স্ত্রী ও ছেলের কোনও রকম চোট না লাগলেও মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছে দু’জন। গুরপ্রীতের স্বামী ওই অ্যাপার্টমেনেটর রক্ষণাবেক্ষণের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর অভিযোগ, লিফটের রক্ষণাবেক্ষণে গাফিলতি ছিল। কেন অ্যালার্ম বাজেনি সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য তিনি দিতে পারেননি।

সোসাইটির অন্যান্য কয়েকজন বাসিন্দা ও সংস্থার আধিকারিকরা জানান, ভোল্টেজের মারাত্মক ওঠানামার কারণে এই গোলযোগ ঘটে থাকতে পারে। তবে কেন অ্যালার্ম বাজেনি সেই প্রশ্নের উত্তর অবশ্য তাঁরা দিতে পারেননি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *