প্রধানমন্ত্রীকে প্রাণনাশের হুমকি, বিশ্বকাপের মাঝেই উড়বে মোদী স্টেডিয়াম! নেপথ্যে কোন গ্যাং?

এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে হত্যার হুমকি পেয়েছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা এজেন্সি। পাশাপাশি নরেন্দ্র মোদী নামাঙ্কিত ক্রিকেট স্টেডিয়ামও বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
হুমকি মেইলে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের সরকারের থেকে আমাদের ৫০০ কোটি টাকা আর লরেন্স বিষ্ণোইকে চাই। না হলে আমরা নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামও উড়িয়ে দেব। হিন্দুস্তানে অনেক কিছু বিক্রি হয়। আমরাও কিছু কিনে ফেলেছি। যতই নিরাপত্তা আঁটসাঁট করো, আমাদের থেকে বাঁচতে পারবে না। কথা বলতে হলে এই মেইলেই রিপ্লাই করো।’
এই হুমকি মেইল পাওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই NIA-র তরফে মুম্বই পুলিশকে সতর্ক করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সমস্ত সিকিউরিটি এজেন্সির সঙ্গে এই হুমকি মেইলটি শেয়ার করা হয়েছে। গুজরাট পুলিশকেও অ্যালার্ট থাকতে বলা হয়েছে।
নরেন্দ্র মোদী নামাঙ্কিত স্টেডিয়ামে ক্রিকেট বিশ্বকাপের পাঁচটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এই হুমকি মেইল আসার পর থেকেই বাড়তি সতর্ক মুম্বই পুলিশ। নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে।
কোন সূত্র থেকে এই হুমকি মেইল এসেছে, তা ক্র্যাক করার চেষ্টা চলছে।
প্রসঙ্গত, ২০১৪ সাল থেকে জেলবন্দি লরেন্স বিষ্ণোই। সূত্রের খবর, জেল থেকেই সে নিজের গ্যাংকে অপারেট করছে। পঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালাকে খুনের পিছনেই তাঁরই হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। সে নিজেই মুসেওয়ালার উপর প্রাণঘাতী হামলায় দায় স্বীকার করে। পাশাপাশি সলমান খানকে প্রাণে মারার হুমকিও দেয় লরেন্স বিষ্ণোই। কৃষ্ণসার হরিণ মেরে ফেলার অভিযোগ সলমানের উপর তাঁর গ্যাং ক্ষুব্ধ বলে উল্লেখ করে বিষ্ণোই।
এই হুমকি মেইলের ঘটনায় দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ফাটল ধরেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, এই ধরনের হুমকি মেইলকে অবহেলা করা যাবে না।