OMG! ভেঙে গেলো সব রেকর্ড, ১.২৫ কোটিতে বিক্রি গণপতি বাপ্পার প্রসাদি লাড্ডু

গণেশ পুজোয় লাড্ডুর গুরুত্ব অপরিসীম। গণেশের প্রিয় মিষ্টি লাড্ডু। পুজোর প্রসাদে লাড্ডুর স্থান বিশেষ। দক্ষিণ ভারতে গণেশ পুজোর উৎসাহ সবচেয়ে বেশি। গণেশ পুজোর সময় লাড্ডুর বিক্রিও বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

প্রতি বছর এই সময়ে বিপুলাকার লাড্ডু বিক্রি হয় লাখ টাকা দরে। তবে এবার তা ছাপিয়ে গেছে। ১.২৫ কোটি টাকায় বিক্রি হল ৫ কেজি ওজনের প্রসাদি লাড্ডু।

হায়দরাবাদের সান সিটির রিচমন্ড ভিলায় নিলামে লাড্ডুটির দাম ওঠে ১.২৫ কোটি টাকা। গত বছরের তুলনায় এই দাম বৃদ্ধি ১০০ শতাংশ।

লাড্ডু কিনেছে তেলেঙ্গানার কীর্তি রিচমন্ড ভিলার বাসিন্দারা। এই লাড্ডুর দাম তেলেঙ্গানার লাড্ডু বিক্রির সর্বকালীন রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে।

প্রতি বছরই গণেশ সময় লাড্ডু নিয়ে এরকম প্রতিযোগিতা চলে তেলেঙ্গানার মিষ্টি প্রস্তুতকারীদের মধ্য়ে। নব্বইয়ের দশক থেকে হায়দরাবাদের বালাপুরের লাড্ডু নিলামে উঠেছে। তবে বর্তমানে বালাপুরের ঐতিহ্যকে টক্কর দিচ্ছে তেলেঙ্গানার বন্ধলাগুরার লাড্ডু।

গত বছরই ৬০ লাখ টাকায় বিক্রি হয় এই লাড্ডু। এবারও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। বালাপুরের ২৭ লক্ষ টাকার লাড্ডুকে টক্কর দিল ১.২৫ কোটি টাকার লাড্ডু দিয়ে।

রিচমন্ড ভিলার তরফে জানানো হয়েছে, সকলে মিলে কেনা ওই লাড্ডুর দাম কোনও ভালো কাজে ব্যবহার করা হবে।

রিচমন্ড ভিলার বাসিন্দা ডঃ সুনীলের কথায়,

“প্রতি বছর গণেশ পুজোর বিসর্জনের দিন লাড্ডুর এই নিলামের আয়োজন করা হয়। সেবামূলক কাজে এই টাকা ব্যবহার করা হয় দেখেই আমি প্রতি বছর উদারহস্তে দান করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আর এটা দেখে আরও ভালো লাগে যে ট্রাস্ট এই বিষয়ে খুবই স্বচ্ছ। কোন কোন কাজে এই টাকা ব্যবহার হচ্ছে তার পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব রাখে ট্রাস্ট। প্রতি মাসে আমাদের কাছেও হিসাব পাঠায় কোথায় ও কী ভাবে টাকা খরচ হচ্ছে।”

লাড্ডু প্রসাদ পরে ভিলার বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করে দেওয়া হয়।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *