বালতিতে চুবিয়ে প্রেমিকাকে খুন! লিভিং পার্টনারের মৃতদেহ ফেলা হল ১৫০ কিলোমিটার দূরে

নিজের লিভ-ইন পার্টনারকে হত্যার পর মরদেহ স্যুটকেসে ভরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভারতের মহারাষ্ট্রের পালগড়ের এক যুবকের বিরুদ্ধে।
হত্যাকাণ্ডের শিকার ২৮ বছর বয়সী ওই নারী তার লিভ-ইন পার্টনারের বিরুদ্ধে প্রথমে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন বলে দেশটির পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ওই নারীকে হত্যায় অভিযুক্ত ব্যক্তির স্ত্রীও সহযোগিতা করেছে এবং ভুক্তভোগী নারীর লাশ গুজরাটে এক খাঁদে ফেলে দিয়ে আসে।
পুলিশ জানিয়েছে, ভুক্তভোগী নারীর নাম নায়না মাহাত। তিনি সিনেমা জগতে মেকআপ আর্টিস্ট হিসেবে কাজ করতেন।
অভিযুক্ত মনোহার শুকলার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল। প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে জানা গেছে, নায়না মনোহারকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। তবে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানানোয় নায়না মনোহারের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন।
এরপর মনোহার নায়নাকে ধর্ষণের অভিযোগ তুলে নিতে বললে তা করেনি নায়না। দু’জনে মিলে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য চাপ দেয়। কিন্তু তাতে রাজি না হওয়ায়, এপর বালতির মধ্যে নয়নার মুখ ঢুকিয়ে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। প্রমাণ লোপাটের জন্য ওই দিন রাতে ১০টার সময় প্রেমিকার দেহ একটি নীল রংয়ের ট্রলিব্যাগে বন্দি করে মনোহর। আর সেই কাজে তাকে সাহায্য করে স্ত্রী। এরপর সেটি প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে গুজরাটের ভালসাদ এলাকায় ফেলে আসে।এরপরেই নায়নাকে হত্যা করে মনোহার।
নায়নাকে হত্যার পর মনোহার তার লাশ স্ত্রীর সহযোগিতায় স্যুটকেসে ভরে এবং খাঁদে ফেলে দেয়। গত ৯ আগস্টের মধ্যে ঘটেছে এ ঘটনা বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
এরপর ১২ আগস্ট ভুক্তভোগীর পরিবার থানায় নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করে। সেইদিন নায়নার বোন জয়া বলেন, তিনি তার বোনকে খুঁজে পাচ্ছিলেন না। এরপরেই তিনি নিখোঁজ অভিযোগ দায়ের করেন।