OMG! বাড়ি বেচে মুখে প্লাস্টিক সার্জারি করে নিঃস্ব, তরুণী এখন রাত কাটান ভ্যানে

মুখের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করতে অনেক নারীই ব্যয়বহুল প্লাস্টিক সার্জারি করে থাকেন। যুক্তরাষ্ট্রের এক নারী নিজেকে ‘অল্প বয়সী’ ও সুন্দরী দেখাতে এতটাই ব্যাকুল ছিলেন যে, তিনি তার তিন রুমের বাড়িই বিক্রি করে দেন। আর সেই বাড়ি বেঁচে নিঃস্ব হয়ে তিনি এখন বসবাস করছেন একটি ভ্যানে।

গত ৩১ জুলাই এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক পোস্ট।

পুরোপুরি ভ্যানে জীবন-যাপন করা এই নারী ভ্যানে করেই এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।বাড়ি বিক্রি করে দিলেও তার কোনো দুঃখ নেই। কারণ প্লাস্টিক সার্জারির পর তাকে এখন সুন্দর দেখা যাচ্ছে।

কেলি বিসলি নামের এই ৫০ বছর বয়সী নারী মুখের প্লাস্টিক সার্জারির জন্য ১৪ হাজার ডলার খরচ করেছেন। তিনি দেখতে পান, তার চেহারায় দ্রুত বয়সের ছাপ পড়ে যাচ্ছে, আর তাই এই সার্জারিটি করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

নিজের চেহারায় তারুণ্যতা ধরে রাখতে ২২ বছর বয়স থেকে বটক্স ইনজেকশন নিচ্ছিলেন কেলি বিসলি। এছাড়া গত ১৫ বছর ধরে ফিলার্সও নিচ্ছিলেন। কিন্তু চেহারার সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে এগুলো খুব বেশি কার্যকরী না হওয়ায় বড় সার্জারির সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিনি চলতি বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি মেক্সিকোতে যান। এই সার্জারিতে তার থাই থেকে চর্বি নিয়ে সেগুলো চেহারা ও ঠোঁটে স্থাপন করা হয়। এতে তার খরচ হয় ১৪ হাজার ডলার। কেলির দাবি, সার্জারির পর তার চেহারার বয়স ২০ বছর কমে গেছে।

তিনি জানিয়েছেন, সার্জারিটি খুবই সহজ ছিল এবং দুই সপ্তাহ তিনি ফেস ব্রা পরে ছিলেন। বর্তমানে সার্জারি পরবর্তী সব সমস্যা থেকে সেরে উঠেছেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ৩০ বছর বয়সে দেখতে যেমন ছিলেন এখন সার্জারির পর এর চেয়েও সুন্দর হয়ে গেছেন।

সূত্র: নিউ ইয়র্ক পোস্ট

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *