NASA-র হেড অফিসে ‘লোডশেডিং’! খবর দিল পুতিনের দেশ, ঘুমে মগ্ন আমেরিকা?

হিউস্টন, ১৬ ফেব্রুয়ারি: নাসা-র কার্যালয়ে মঙ্গলবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের (আইএসএস) সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

নাসা জানিয়েছে, হিউস্টনে জনসন স্পেস সেন্টারে আপগ্রেড সংক্রান্ত কিছু কাজ চলার সময় এই ঘটনাটি ঘটেছে। কাজের সময় কোনও বিভ্রাট ঘটে। আর সেই কারণের জন্য যাবতীয় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এই বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ২০ মিনিটের মধ্যে রাশিয়ার যোগাযোগ মাধ্যম মারফত নাসা-র দল বিষয়টি প্রসঙ্গে অবগত হয়। স্পেস স্টেশন পোগ্রাম ম্যানেজার জইল মনটাসবানো বলেন, “এই ঘটনায় কোনও নভোশ্চর বা স্পেস স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। প্রায় ৯০ মিনিটের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা জানতাম যে কাজ চলছে। আর সেই জন্য আমরা সমস্ত ব্যাক আপ রেখেছিলাম। ” কোনও প্রাকৃতিক দুর্যোগের মোকাবিলা করার জন্য নাসা হিউস্টন থেকে কিছু দূরে একটি ব্যাক আপ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র খুলেছে।

এই ধরনের বিদ্যুৎ বিভ্রাট সংক্রান্ত সমস্যা নাসা আগে কখনও দেখেনি। এই মহাকাশ গবেষণা সংস্থার তরফে বলা হয়েছে, “আমাদের আগে বোঝা উচিত যে ঠিক কী হয়েছে এবং তা থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত ভবিষ্যতের জন্য।”

উল্লেখ্য, আমেরিকা এবং রাশিয়া এই দুই দেশের আভ্যন্তরীণ সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন অজানা নয়। কিন্তু, মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে নাসা-কে সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছিল মস্কো। শুধু তাই নয়, মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে দুই দেশ একাধিকবার পরস্পরের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।

শুধু তাই নয়, মহাকাশ গবেষণায় এর আগেও একাধিক দেশের মধ্যে আভ্যন্তরীণ বোঝাপড়ার দৃশ্য সামনে এসেছে। ভারতের চন্দ্রযান ৩ উৎক্ষেপণের ক্ষেত্রে NASA সহ একাধিক বিদেশি স্পেস এজেন্সি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। আর এর সফল উৎক্ষেপণের পরেই ISRO-কে শুভেচ্ছাবার্তা জানিয়েছিল NASA। এছাড়াও মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্রে বিদেশের একাধিক দেশের সংস্থার সঙ্গে অতীতেও সুসম্পর্কের নজির রেখেছে NASA।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *