মর্মান্তিক! হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ল পুরোনো বিল্ডিং, মৃত্যু ১৩ বছরের নাবালকের

মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াডিতে। পরিত্যক্ত সেচ দফতরের বাড়ির ইট সংগ্রহ করতে গিয়ে এক নাবালকের মৃত্যু হল। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সুবর্ণরেখা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজের জন্য কেশিয়াড়ির নাপো এলাকায় কংক্রিটের ঘর তৈরি করা হয়েছে। কাজ শেষ হওয়ার পর তা পরিত্যক্ত অবস্থাতেই পড়েছিল। গ্রামবাসীরা যে যখন পেরেছিল বাড়ির জিনিসপত্র খুলে সরিয়ে দিয়েছিল বলেই জানা গিয়েছে। সেই বাড়ির ইট সংগ্রহ করার সময় ভবনটি ধসে পড়ে ১৩ বছর বয়সী এক নাবালকের মৃত্যু হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়ির নাপো জেলায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা দারা পাত্র বলেন, “সেচ দফতরের এই পাঁকা বাড়িটি অনেক আগে তৈরি হয়েছিল। কাজ শেষ হওয়ার পর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়েছিল। গ্রামবাসীরা যে যেমন পেরেছে জিনিসপত্র খুলে সরিয়ে নিয়েছিল। অনেকেই এই ভবনের ইট সরিয়ে ফেলেন। আজকে অন্যান্যদের সঙ্গে আরও এক বালক ইঁট খুলতে গিয়েছিল। এরপর বাড়িটি ভেঙে পড়ে। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।”
রোববার বেলা ১টা নাগাদ এ ঘটনা ঘটে। গ্রামবাসীরা লক্ষ্য করেন ভবনটি ধসে পড়ছে। গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা উল্লেখ করেছেন যে 13 বছরের স্থানীয় ছেলে বিশ্বনাথ হাঁসদা ভিতরে আটকা পড়েছিল। তারা কেশিয়াড়ি থানায় খবর দেয়। আগত পুলিশ জেসিবি দিয়ে দেয়াল ভেদ করে নিচে থেকে বিশ্বনাথের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
gb