দেবী প্রতিমার সঙ্গেই জলে তলিয়ে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী! বিসর্জনের এই মর্মান্তিক টুইস্টে তোলপাড় নেটপাড়া

দেবী দুর্গার সঙ্গেই নদীর জলে তলিয়ে গেলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী! বিসর্জনের দিনে জি বাংলার মেগা সিরিয়ালে মর্মান্তিক টুইস্ট

পুজোর মরশুমে দর্শকদের উত্তেজনা দ্বিগুণ করতে বাংলা সিরিয়ালের গল্পে আসছে একের পর এক তাক লাগানো চমক। বিভিন্ন ধারাবাহিকে নানা রকম টুইস্ট আসার মাঝেই এবার জি বাংলার জনপ্রিয় মেগা সিরিয়াল ‘সুন্দরবনের বাঘিনী’-র নতুন প্রোমো ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে চরম শোরগোল। দেবীর প্রতিমা বিসর্জনের সময় হাত-পা বাঁধা অবস্থায় খোদ নায়িকাকেই জলে ফেলে দেওয়ার এক ভয়ঙ্কর দৃশ্য সামনে আসতেই অনুরাগীদের মধ্যে উৎকণ্ঠা তুঙ্গে উঠেছে।

স্বামীর জীবন বাঁচাতে গিয়ে ষড়যন্ত্রের বলি মহুয়া?

ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক প্রোমো অনুযায়ী, বর্তমানে গল্পে চলছে দুর্গাপুজোর আনন্দ ও সিঁদুরখেলার উৎসব। নায়িকা মহুয়া দেবী প্রতিমাকে বরণ করে প্রার্থনা করছে, সে যেন যেকোনো মূল্যে তার স্বামী যুবরাজকে রক্ষা করতে পারে এবং নিজের সিঁথির সিঁদুর অক্ষয় রাখতে পারে।

কিন্তু পর্দার আড়ালে যে অন্য চক্রান্ত দানা বাঁধছে, তা ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি সে। যুবরাজকে শেষ করার পাশাপাশি খলনায়কদের মূল লক্ষ্য এখন মহুয়াকে পাকাপাকিভাবে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেওয়া। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, দেবী দুর্গার কাঠামোর ঠিক পিছনেই অত্যন্ত চতুরভাবে মহুয়াকে হাত-পা বেঁধে আটকে রাখা হয়। চারপাশের ঢাক ও ঢাকাই ঢোলের তুমুল শব্দে তার সমস্ত আর্তনাদ ও চিৎকার সম্পূর্ণ ঢাকা পড়ে যায়। এরপর সকলের অজ্ঞাতেই প্রতিমার সঙ্গে তাকেও সজোরে নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়!

১ ও ২ নভেম্বর আসছে এই মেগা পর্ব, উত্তর মিলবে কি?

সুন্দরবনের মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং এক লড়াকু সিঙ্গল মাদারের জার্নিকে কেন্দ্র করে এগিয়ে চলা এই সিরিয়ালের মূল চরিত্রে অভিনয় করছেন নবাগতা সম্পিতা প্রামাণিক (মহুয়া) এবং তাঁর বিপরীতে যুবরাজের ভূমিকায় রয়েছেন সিদ্ধার্থ সেন। প্রতিদিন রাত ৯টায় জি বাংলার পর্দায় সম্প্রচারিত হওয়া এই মেগা সিরিয়ালের এমন মর্মান্তিক মোড় দর্শকদের রাতের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছে।

মহুয়ার কি সত্যিই মর্মান্তিক পরিণতি ঘটবে? নাকি সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে সে আবারও ফিরে আসবে? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর মিলবে আগামী ১ এবং ২ নভেম্বর ‘সুন্দরবনের বাঘিনী’-র বিশেষ এই এপিসোডগুলিতে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *