স্কুলেই মিলবে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা পরিষেবা! ১,০৮৬টি সরকারি স্কুলে স্বাস্থ্যকর্মী বসানোর ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত!

রাজধানীর সরকারি স্কুলগুলোর শিক্ষার মানোন্নয়নের পর এবার পড়ুয়াদের শারীরিক স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তায় বড়সড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে দিল্লি সরকার। দিল্লির সমস্ত ১,০৮৬টি সরকারি স্কুলেই এবার থেকে তৈরি করা হবে আধুনিক ‘মেডিকেল রুম’ বা প্রাথমিক চিকিৎসা কক্ষ। ক্লাস চলাকালীন কোনও শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়লে বা চোট-আঘাত পেলে যাতে দ্রুত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা যায়, সেই লক্ষ্যেই এই পরিকাঠামো গড়ার কাজ জোরকদমে শুরু হতে চলেছে।

দিল্লির শিক্ষামন্ত্রী আশীষ সুদ জানিয়েছেন, এই মেগা স্বাস্থ্য সুরক্ষা প্রকল্প বাস্তবে রূপ দিতে রাজ্য সরকার প্রতি বছর আনুমানিক ৪৮.৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ ও ব্যয় করবে।

প্রতিটি স্কুলে থাকবেন প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী: সরকারের এই নতুন পরিকল্পনার অধীনে কেবল চিকিৎসা কক্ষ বা ফার্স্ট-এইড বক্স রেখেই দায়িত্ব শেষ করা হবে না; বরং প্রতিটি সরকারি স্কুলে সার্বক্ষণিক উপস্থিতি নিশ্চিত করতে একজন করে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী (Health Worker) মোতায়েন করা হবে।

পড়ুয়ারা কী কী চিকিৎসা সুবিধা পাবে? ১,০৮৬টি স্কুলে তৈরি হতে চলা এই মেডিকেল রুমগুলোতে জরুরি ভিত্তিতে প্রাথমিক চিকিৎসা, দ্রুত শারীরিক পরীক্ষা, সাধারণ ওষুধপত্র প্রদান এবং প্রয়োজনবোধে নিকটস্থ হাসপাতালে স্থানান্তরের আগে তাৎক্ষণিক জরুরি পরিষেবা দেওয়ার পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা থাকবে।

দিল্লি সরকারের এই যুগান্তকারী উদ্যোগ কেবল শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যই সুনিশ্চিত করবে না, বরং অভিভাবকদের মনেও বড়সড় স্বস্তি ফেরাবে বলে মনে করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই ধাপে ধাপে প্রতিটি স্কুলে এই প্রকল্প কার্যকর করার কাজ শুরু হবে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *