‘চাইলে মমতার বাড়ি থেকেও প্রার্থী দিতে পারি!’ পুরভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিস্ফোরক সুকান্ত মজুমদার

পুজো কাটতেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে রাজ্য বিজেপি। আসন্ন পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে মেগা বৈঠক। কোন রণকৌশলে প্রার্থী বাছাই করা হবে এবং কাদের টিকিট দেওয়া হবে, তা নিয়ে দলের অন্দরে চূড়ান্ত আলোচনা চলছে। সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে, আগামী পুর নির্বাচনে প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে একাধিক কঠোর শর্ত ও নিয়ম বেঁধে দিয়েছে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

জানা গেছে, পুজোর আগেই পুরভোটের প্রার্থী বাছাইয়ের জন্য বিশেষ সমীক্ষা চালিয়েছিল রাজ্য বিজেপি। ডিলিমিটেশনের পর ওয়ার্ডভিত্তিক সংগঠনের শক্তি এবং কর্মীদের ভূমিকা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। স্থানীয় ইস্যুকে প্রাধান্য দিয়ে এমন প্রার্থীদেরই টিকিটের জন্য অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যাঁদের এলাকায় স্বচ্ছ ভাবমূর্তি রয়েছে, সাধারণ মানুষের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা আছে এবং অবশ্যই যাঁদের ‘ভূমিপুত্র’ হতে হবে।

দলীয় সূত্রে খবর, প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি মূল বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি, দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও কর্মঠ নিচুতলার কর্মীদেরই অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাঁদের সমাজে ভালো ভাবমূর্তি রয়েছে। এছাড়া পরিবারের কেউ প্রার্থী হতে পারলেও, তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সক্রিয়তা রয়েছে কি না, তা কঠোরভাবে যাচাই করা হবে।

এদিন প্রার্থী তালিকা ও দলবদলু বা অন্য শিবির থেকে আসা নেতাদের টিকিট পাওয়া প্রসঙ্গে খোঁচা দিতে ছাড়েননি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের কটাক্ষের জবাবে তিনি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করে জানান, কৌশলগতভাবে চাইলে তাঁরা অন্য শিবির থেকেও প্রার্থী বেছে নিতে পারেন, তবে দলের নিজস্ব নীতি ও শৃঙ্খলার ওপরই বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। সার্বিকভাবে, পুরভোটের বৈতরণী পার হতে এবার কঠোর ছক কষেই এগোচ্ছে গেরুয়া শিবির।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *