“দেশ কি সোনিয়ার পারিবারিক সম্পত্তি?” বিরোধীদের তুলোধনা করে বিস্ফোরক আক্রমণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর!

দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির সাম্প্রতিক বিক্ষোভ এবং সরকার বিরোধী আন্দোলনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় কয়লা ও খনি মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি। গত সপ্তাহে গণতন্ত্রের নাম করে কংগ্রেস ও তার শরিক দলগুলি যে ‘রাজনৈতিক নাটক’ মঞ্চস্থ করেছে, তার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন যে এই ধরনের হীন আচরণে সাধারণ মানুষ অত্যন্ত ক্ষুব্ধ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর স্পষ্ট অভিযোগ, দেশের ভাবমূর্তি এবং গণতান্ত্রিক সংস্থাকে ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্বল করতে সংবিধানের দেওয়া অধিকারের অপব্যবহার করছে কংগ্রেস, বামপন্থী দলসহ অন্যান্য বিরোধী দলগুলি।

বিরোধী জোটের মূল লক্ষ্য যে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে ফেলে দেওয়া, সেকথা উল্লেখ করে রেড্ডি বলেন যে বিরোধী দল হিসেবে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার চেষ্টা করা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য সাধনের জন্য সমস্ত নৈতিক মূল্যবোধকে জলাঞ্জলি দেওয়া এবং দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা যায় না।

বিরোধী নেতাদের নিশানা করে যা বললেন জি কিষাণ রেড্ডি:

নেতৃত্বের সমালোচনা: রাহুল গান্ধী নিজের পদের গরিমা এবং শালীনতা ভুলে অত্যন্ত নিম্নমানের রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ করেন তিনি। লোকসভার স্পিকারের পদত্যাগ দাবি করা থেকে শুরু করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে লাগাতার চাপ তৈরির তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।

সংবিধান ও রাজতন্ত্রের তুলনা: কংগ্রেসের কঠোর সমালোচনা করে মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, “এই দেশ কি সোনিয়া গান্ধীর পরিবারের কোনো প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি নাকি ব্যক্তিগত সম্পত্তি?” ১৪০ কোটি ভারতবাসী সিদ্ধান্ত নেয় কাকে ভোট দেবে, তাই নির্বাচনে হেরে গিয়ে নির্বাচন কমিশন বা বিচার ব্যবস্থাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো রাজনৈতিক দেউলিয়াপনার লক্ষণ।

সংস্থার স্বাধীনতার পক্ষে সওয়াল: ড. বি আর আম্বেদকর রচিত সংবিধানের মাধ্যমেই দেশের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো চলে। রাহুল গান্ধী বা কোনো বিদেশি শক্তির ইচ্ছায় এই দেশ বা এর প্রতিষ্ঠানগুলি চলবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জি কিষাণ রেড্ডি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *