ছাড়া পেলেন দীপকে, রাঙ্কা, সৌরভ, ফের যন্তর মন্তরে বড় জমায়েতের ডাক CJP-র

গণহারে ধরপাকড়, রাজধানীজুড়ে কড়া নিরাপত্তা এবং ‘অঘোষিত জরুরি অবস্থা’ জারির তীব্র অভিযোগের আবহে রবিবার ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির যন্তর মন্তর। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে অনড় থেকে আজ আবারও বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব সাফ জানিয়ে দিয়েছে, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন জারি থাকবে।
নেতাদের মুক্তি ও আদালতের নির্দেশ:
शनिवार (১০ অক্টোবর) রাজধানীজুড়ে চলা ব্যাপক ধরপাকড়ের অংশ হিসেবে বিমানবন্দর থেকেই আটক করা হয়েছিল CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে এবং দলের দুই সহ-আহ্বায়ক সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে। তবে স্বস্তির খবর শুনিয়ে দলের আইন বিষয়ক প্রধান রত্না সিং জানিয়েছেন, এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসের মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে।
আন্দোলনের নতুন রূপরেখা:
শীর্ষ নেতৃত্ব আটক থাকা অবস্থায় আন্দোলনের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন জাতীয় সংগঠন বিষয়ক দায়িত্বপ্রাপ্ত অজিঙ্কা শিন্ডে। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই ফের যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ প্রদর্শনের প্রস্তুতি নিয়েছে দল। পুলিশ যেখানেই বাধা দেবে, সেখানেই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুংকার দিয়েছে CJP।
যানবাহন ও সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ:
এদিকে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবারেও নয়াদিল্লি ও মধ্য দিল্লির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় তীব্র যান চলাচল ব্যাহত হতে পারে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সকাল থেকেই বিভিন্ন পয়েন্টে ট্রাফিক ডাইভারশন কার্যকর করা হয়েছে। বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন কিংবা আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনালে যাতায়াতকারী যাত্রীদের যথেষ্ট সময় হাতে নিয়ে ঘর থেকে বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর কঠোর নিরাপত্তা বলয় ও কড়া বিধিনিষেধের চোখ রাঙানিকে উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা কতটা সফলভাবে যন্তর মন্তরে নিজেদের উপস্থিতি বজায় রাখতে পারেন, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।