মহালয়ার দিন ভুল করেও এই কাজগুলি করছেন না তো? সামান্য ভুলেই জলে যেতে পারে সারাবছরের সুখ-শান্তি!

শনিবার অর্থাৎ ১০ অক্টোবর ২০২৬ পালিত হচ্ছে মহালয়া। এই পবিত্র দিনটির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে সনাতন ধর্মের দুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়— একদিকে যেমন এটি পূর্বপুরুষদের উদ্দেশ্যে তর্পণ ও স্মরণের দিন (পিতৃপক্ষ সমাপ্তি), তেমনই অন্যদিকে এটি মা দুর্গার আগমনী বার্তা নিয়ে আসা দেবীপক্ষের সূচনা। ভোরের আলো ফুটতেই বাঙালির ঘরে ঘরে বেজে ওঠে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের চণ্ডীপাঠ ও মহিষাসুরমর্দিনী, যা সূচনা করে উৎসবের আমেজ।

ജ്യোতিষশাস্ত্র ও শাস্ত্রীয় বিধান অনুযায়ী, মহালয়ার দিনটির রয়েছে বিশেষ আধ্যাত্মিক ও জ্যোতিষীয় গুরুত্ব। এই দিন প্রয়াত পূর্বপুরুষদের বিদেহী আত্মার শান্তি ও মুক্তির কামনায় তর্পণ করা হয়। জ্যোতিষী রাহুল দের মতে, মহালয়ার দিন কিছু বিশেষ আচার ও নিয়ম মেনে চললে জীবনের সমস্ত বাধা কেটে গিয়ে সুখ-সমৃদ্ধি ও সাফল্য লাভ করা সম্ভব।

মহালয়ার দিন কী কী করা উচিত?

দরিদ্র ও অভাবীদের দান: এই পবিত্র তিথিতে সাধ্যমতো দরিদ্র ও অভাবী মানুষদের অন্ন, বস্ত্র বা প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য দান করা অত্যন্ত পুণ্যময় কাজ।

পশু-পাখিকে সেবা: মহালয়ার দিন কুকুর, পাখি বা পথচলতি কোনো ক্ষুধার্ত প্রাণীকে খাবার খাওয়ালে ঘরে অন্নপূর্ণার কৃপা বজায় থাকে এবং অভাব দূর হয়।

ধর্মগ্রন্থ পাঠ ও পুজো: এদিন সকালে পুজো ও ধ্যান করার পাশাপাশি বিষ্ণু নাম জপ করা অত্যন্ত ফলদায়ক। সম্ভব হলে রামায়ণ, মহাভারত কিংবা পবিত্র গীতা পাঠ করতে পারেন।

পূর্বপুরুষদের তৃপ্ত করে তাঁদের আশীর্বাদ ধন্য হতে এবং দেবী দুর্গার আগমনকে স্বাগত জানাতে এই নিয়মগুলি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার কথাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *