‘যাই, একটু ঘুমোই!’ প্রথম রাউন্ডের ফল দেখেই গণনা কেন্দ্র ছেড়ে সোজা ঘুমের দেশে ডেমোক্রেটিক তৃণমূল প্রার্থী!

টানটান উত্তেজনা এবং রাজনৈতিক তরজায় মোড়া নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোট গণনা শুরু হয়েছে। গত ৬ই অক্টোবর অনুষ্ঠিত এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলাফলের দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে গোটা পশ্চিমবঙ্গ। বিশেষ করে, তৃণমূলের প্রতীক ও নাম দখল নিয়ে কালীঘাট বনাম ঋতব্রত শিবিরের দ্বন্দ্বের জেরে রেজিনগর উপনির্বাচন বাড়তি মাত্রা পেয়েছে। এরমধ্যেই ভোট গণনার শুরুর ছবি ঘিরে তৈরি হয়েছে চরম নাটকীয়তা।

গণনা কেন্দ্রেই প্রার্থীর অবাক করা মন্তব্য: বহরমপুর গার্লস কলেজের গণনা কেন্দ্র থেকে প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষ হতেই বাইরে বেরিয়ে আসেন ডেমোক্রেটিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সফিউজ্জামান শেখ। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ক্লান্ত গলায় তিনি জানান, “যাই ঘুমাতে যাই, কাল সারারাত ঘুম হয়নি। আর এখানে আমার কাজ নেই।” ঘুম ভেঙে কি আবার ফিরবেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে তাঁর রহস্যজনক মন্তব্য, “ঘুম ভেঙে আসার প্রয়োজন হবে বলে মনে হয় না। তবে অনেক সময় ঘুমোতে যেতে হয় না, ঘুম পাড়ানো হয়। ধরে নিন সেটাই হল।”

অন্যান্য প্রার্থীর ক্ষোভ ও রিল্যাক্স মেজাজ: অন্যদিকে, গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে কংগ্রেস প্রার্থী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহিল কাফি শাসকশিবির ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘ক্যালকুলেটিভ রিগিং’-এর গুরুতর অভিযোগ তোলেন। তাঁর দাবি, “ভিতরে থেকেই বা আর কী করব? সবকটা দালাল একটা, সব টেবিলের তলায় খেলা হয়েছে।”

এর ঠিক বিপরীত ছবি দেখা গেল গেরুয়া শিবিরে। প্রথম রাউন্ডে ৬ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকার পর, দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষে ব্যবধান ১৮ হাজার ছাড়াতেই বেশ ফুরফুরে মেজাজে পাওয়া যায় বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারকে। বুথের বাইরে এসে তিনি জানান, ফলাফল অনুকূলে থাকায় তিনি একটু ‘রিল্যাক্স’ করতেই বাইরে এসেছেন।

জোড়াফুল প্রতীক ও রাজনৈতিক কোন্দলের আবহে এই উপনির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফলের দিকে এখন ঝড়ের বেগে নজর রাখছেন ডেইলিয়ান্ট পাঠকরা। এই সংক্রান্ত প্রতিমুহূর্তের আপডেট পেতে আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *