স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নিয়ে বড় দাবি কেন্দ্রের! বৈষম্যের অভিযোগ উড়িয়ে আসল সত্যিটা কী জানাল সরকার?

স্যাটেলাইট যোগাযোগ এবং টেলিযোগাযোগের নতুন ফ্রেমওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং নীতি নিয়ে সমস্ত জল্পনা ও বিভ্রান্তি দূর করল কেন্দ্রীয় সরকার। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় স্যাটেলাইট যোগাযোগ সংক্রান্ত অনুমোদনের ক্ষেত্রে ভারতের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিভিন্ন মহলে ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছিল। এমনকি এই নীতি বৈষম্যমূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়। এই পরিস্থিতিতে সমস্ত বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে কেন্দ্রের তরফে একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ পদ্ধতির রূপরেখা তুলে ধরা হলো।

সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভারতে হাই-স্পিড উপগ্রহ যোগাযোগ পরিষেবা চালু করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ‘নন-জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট অরবিট’ (NGSO) বা অববিটালের ওপর ভিত্তি করে তিনটি ‘গ্লোবাল মোবাইল পার্সোনাল কমিউনিকেশন বাই স্যাটেলাইট’ (GMPCS) সংস্থাকে ইতিমধ্যে টেলিকম লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। তবে লাইসেন্স পেলেই পরিষেবা শুরু করা যায় না; এর জন্য কঠোর নিয়ম ও শর্তাবলী মানতে হয়।

কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা অনুযায়ী, লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত শর্ত পূরণ করার প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। এ প্রসঙ্গে সরকারের স্পষ্ট বার্তা, “সমস্ত ব্যবহারকারী এবং তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্যের সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করাটাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।”

বর্তমানে এই তিনটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের জন্যই নিরাপত্তার বিভিন্ন দিক নিয়ে কঠোর পর্যালোচনা চলছে। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলি পরবর্তী ধাপ অর্থাৎ স্পেকট্রাম বা বর্ণালী বরাদ্দের আবেদনের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবে। সরকারের সাফ দাবি, বর্তমানে এই তিনটি প্রতিষ্ঠানই নিয়ামক বা নিয়ন্ত্রক কাঠামোর ঠিক একই পর্যায়ে রয়েছে। ফলে অনুমোদন প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের বৈষম্যের অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *