EMI-র জালে কি জড়িয়ে পড়ছে দেশ? ছোট খাসসামগ্রী কিনতে গিয়ে কীভাবে উল্টে গেল ঋণের পুরো হিসাব!

গত এক দশকে ভারতের আর্থিক লেনদেন এবং ঋণ নেওয়ার ট্রেন্ডে এক বিরাট পরিবর্তন এসেছে। আজ থেকে ১০ বছর আগে সাধারণ মানুষের লোন নেওয়ার ধরণ যেমন ছিল, বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে তা পুরোপুরি বদলে গেছে। আগে যেখানে বড় কোনো কাজের জন্য বা কৃষিকাজের উদ্দেশ্যে ঋণের প্রবণতা বেশি ছিল, সেখানে এখন মোবাইল ফোন, ফ্রিজ কিংবা ছোটখাটো ইলেকট্রনিক্স গ্যাজেটস কেনার জন্য ইএমআই (EMI)-এর ওপর ভরসা করার প্রবণতা হু হু করে বেড়েছে।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, দেশের ঋণ বাজারে নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্স কোম্পানি বা এনবিএফসি (NBFC)-গুলির হিসেবি ভূমিকাও বিগত দশকে ব্যাপক পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে। আগে যেখানে এই ধরণের ছোট কনজ্যুমার লোন বা প্রথমবার ঋণ নেওয়া গ্রাহকদের (NTC) সংখ্যা সীমিত ছিল, বর্তমানে তা ৫০ শতাংশের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। বিশেষ করে জেন-জি (Gen-Z) প্রজন্ম এবং তরুণ ক্রেতাদের মধ্যে শখের জিনিস বা দৈনন্দিন ব্যবহারের সামগ্রী সহজে পেতে ইএমআই-এর সংস্কৃতি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। এর ফলে সামগ্রিক ক্রেডিট মার্কেটের চিত্রটাই পুরোপুরি বদলে গেছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *