শাড়ির কালেকশনে আসছে বিরাট বদল! আলিয়া ভাটের দেখানো এই স্টাইলিশ লুকে ফিদা নেটদুনিয়া

ভারতীয় নারীদের প্রথম পছন্দ বরাবরই শাড়ি। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে শাড়ির স্টাইল, ড্রেপিং, ডিজাইন এবং রঙে নানা পরিবর্তন এসেছে। ফ্যাশনের এই বদলের ধারাতেই এখন নেটপাড়া থেকে শুরু করে তারকাদের wardrobes-এ এক নতুন ট্রেন্ড রীতিমতো ঝড় তুলেছে, যার নাম ‘মিল্ক শাড়ি’।

একসময় বিশেষ অনুষ্ঠানে লাল, গোলাপি, হলুদ, সবুজ বা মেরুনের মতো চটকদার রঙের কদর ছিল সবচেয়ে বেশি। এরপর ফ্যাশনে এল পেস্টল কালারের যুগ, যা ব্রাইডাল ওয়ার্ড্রোবেরও অন্যতম অংশ হয়ে ওঠে। তবে বর্তমানে ছক ভেঙে নিউট্রাল টোন এবং সফট কালারের প্রতি ঝুঁকছেন ফ্যাশনিস্তারা। আর সেখান থেকেই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই ‘মিল্ক শাড়ি’ ট্রেন্ড।

কী এই ‘মিল্ক শাড়ি’ ট্রেন্ড?

নাম শুনে হয়তো মনে হতে পারে এটি বুঝি দুধ বা অন্য কোনো বিশেষ নরম উপাদানের তৈরি কাপড়। আসলে তা নয়। পেস্টল কালার ট্রেন্ডের মতোই এটি মূলত একটি নির্দিষ্ট রঙের শেড, যা নারীদের দারুণ পছন্দ হচ্ছে। এই রঙটি আপনাকে অত্যন্ত ক্লাসি, এস্থেটিক এবং এলিগ্যান্ট লুক দিতে সাহায্য করে।

মিল্ক শাড়ি মূলত একটি নিউট্রাল কালার টোনের সফট শেড। এই শাড়িগুলোর রঙ পুরোপুরি ধবধবে সাদা বা সাধারণ ক্রিম রঙের হয় না। দুধের হালকা সর বা মलाईदार রঙের আদলে তৈরি হয় এই শেড, যা দেখতে অনেকটা পার্ল টোনের মতো লাগে। এর হালকা ও গাঢ় শেডের কম্বিনেশনও এখন বেশ দেখা যাচ্ছে।

কোন ধরনের কাপড়ে মানায় বেশি?

মিল্ক শাড়ির এই সফট রঙটি সঠিকভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য হালকা ও স্বচ্ছ ফ্যাব্রিক বেছে নেওয়া হয়। এর মধ্যে অর্গানজা, টিস্যু সিল্ক, শিফন, চান্দেরি, জর্জেট এবং মলমলের তৈরি শাড়ি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। এই ফ্যাব্রিকগুলো শাড়িকে একটি সুন্দর ‘ফ্লোই’ বা ওড়ার মতো লুক দেয়, যার ফলে সফট টোনটি আরও বেশি গর্জিয়াস ও ফুটিয়ে তোলে।

তারকাদের মধ্যেও বাড়ছে क्रेজ

বলিউড অভিনেত্রীদের মধ্যেও এই নতুন ট্রেন্ড লুফে নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। সম্প্রতি অভিনেত্রী আলিয়া ভাটকে আইভরি বা হাতির দাঁতের রঙের একটি চমৎকার শাড়িতে দেখা গেছে, যা ইন্টারনেটে ঝড় তোলে। চিকনকারি কাজের ওই শাড়িতে র‍্যাম্পে শো-স্টপার হয়েছিলেন তিনি। ভারী নেকলেস, মাং টিকা, হাতফুল এবং গোলাপি টোনের মনোক্রোমেটিক মেকআপে নিজের লুকটি সম্পূর্ণ করেছিলেন এই ডিভা। এছাড়া হিনা খানসহ অন্যান্য তারকারাও এই ট্রেন্ডের প্রতি তাদের ভালোলাগা প্রকাশ করেছেন। সব মিলিয়ে ফ্যাশনপ্রেমীদের কাছে এটি এখন অন্যতম ফেভারিট চয়েস।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *