আজ থেকে শুরু ‘সেবা সেতু’ ক্যাম্প, দেখেনিন কোন কোন প্রকল্পের সুবিধা মিলবে?

আয়ুষ্মান ভারতের কার্ড পাননি? মেলেনি মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা কিংবা পিএম কিষান কার্ডের সুবিধা? অথবা বিধবা ভাতা ও বার্ধক্য ভাতার জন্য আবেদন করতে চান? সাধারণ মানুষের এই সমস্ত সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে আজ, শুক্রবার, ২ অক্টোবর থেকে কলকাতা সহ গোটা রাজ্যজুড়ে শুরু হচ্ছে মেগা শিবির—‘সেবা সেতু অভিযান’। আজ থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ ক্যাম্প চলবে আগামী ৪ অক্টোবর পর্যন্ত।

রাজ্যজুড়ে ৩৩০০ শিবির ও সময়সীমা

প্রশাসন সূত্রে খবর, সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দিতে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে পুরসভা এবং কর্পোরেশন—সব স্তর মিলিয়ে গোটা রাজ্যজুড়ে মোট ৩৩০০টি শিবির চালু করা হয়েছে।

  • সমর: প্রতিদিন সকাল ১০:৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫:৩০ মিনিট পর্যন্ত এই ক্যাম্পগুলি খোলা থাকবে। এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সাধারণ মানুষ সরাসরি গিয়ে নিজেদের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

কোন কোন প্রকল্পের সুবিধা মিলবে?

এই শিবিরগুলিতে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের একাধিক জনপ্রিয় প্রকল্পের সুবিধা পাওয়া যাবে। যেমন:

  • নতুন আবেদন ও ফর্ম বিলি: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, শিক্ষাশ্রী, জয় জোহার, পিএম কিষান ক্রেডিট কার্ড, পিএম কিষান স্বনিধি, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা এবং বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্নদের ভাতার নতুন ফর্ম পাওয়া যাবে ও আবেদন করা যাবে।

  • বিশেষ আকর্ষণ: নতুন করে শুরু হচ্ছে অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন প্রক্রিয়া। এই শিবির থেকেই মিলবে অন্নপূর্ণা যোজনার ফর্ম।

  • অন্যান্য সুবিধা: আয়ুষ্মান কার্ডের স্ট্যাটাস বা কেওয়াইসি সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। পাশাপাশি, ক্যাম্পে আলাদা করে ব্যাঙ্কের কাউন্টার থাকবে, যেখান থেকেও নানা আর্থিক পরিষেবা পাওয়া যাবে।

এছাড়াও কলকাতা কর্পোরেশনের প্রতি দুটি ওয়ার্ডের জন্য একটি করে এবং হাওড়া কর্পোরেশনের ৫০টি ওয়ার্ডের জন্য ২৬টি জায়গায় সেবা সেতু অভিযানের ক্যাম্প খোলা হয়েছে।

আপনার এলাকার ক্যাম্প কোথায় বসেছে? জেনে নিন নম্বর

আপনার নিকটবর্তী এলাকায় ঠিক কোথায় এই ‘সেবা সেতু’ ক্যাম্প বসেছে, তা ঘরে বসেই জেনে নিতে পারবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুটি হেল্পলাইন নম্বর জারি করা হয়েছে: 📞 1800 345 0117 এবং 033-2214 0152

এই নম্বরে ফোন করলেই আপনার এলাকার ক্যাম্পের সঠিক ঠিকানা জানতে পারবেন। তাই আর দেরি না করে পুজোর আগেই আপনার সমস্যা মেটাতে আজই পৌঁছে যান নিকটবর্তী সেবা সেতু শিবিরে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *