চ্যাটজিপিটির সঙ্গে এ কোন মজার খেলায় মাতলেন লিটল মাস্টার? শচীন টেন্ডুলকারের এই বড় ঘোষণায় তোলপাড় প্রযুক্তি বিশ্ব!

ক্রিকেট মাঠের সমস্ত রেকর্ড নিজের নামে করে নেওয়ার পর এবার প্রযুক্তি জগতের এক নতুন অধ্যায়ে পা রাখলেন ক্রিকেটের ‘মাস্টার ব্লাস্টার’ শচীন টেন্ডুলকার। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দুনিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় সংস্থা ওপেনএআই (OpenAI)-এর সঙ্গে একটি বিশেষ অংশীদারিত্বের ঘোষণা করেছেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্টের মাধ্যমে খোদ শচীন তাঁর অগণিত ভক্তদের সঙ্গে এই সুখবর ভাগ করে নিয়েছেন। চ্যাটজিপিটির নতুন নতুন ফিচার ও সম্ভাবনাগুলো এবার বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে দেখা যাবে তাঁকে।

প্রযুক্তির প্রতি শচীনের অনুরাগ ও মজার অভিজ্ঞতা

শচীন বরাবরই নতুন কিছু শিখতে এবং জানার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। নিজের পোস্টে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তাঁর মনে সব সময় নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায়, আর চ্যাটজিপিটি সেই কৌতূহল মেটাতে দারুণ সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, দৈনন্দিন জীবনেও এটি অত্যন্ত সহায়ক। নিজের একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে শচীন বলেন, সম্প্রতি পরিবারের সঙ্গে বেড়াতে যাওয়ার সময় সম্পূর্ণ ট্রিপের প্ল্যানিং করতে তাঁকে সাহায্য করেছিল এই এআই টুল। এই ঘটনাই তাঁকে প্রযুক্তির আসল ক্ষমতা সম্পর্কে ওয়াকিবহাল করে তোলে।

চ্যালেঞ্জ ও নতুন ভিডিও নিয়ে চর্চা

অংশীদারিত্বের এই ঘোষণা দেওয়ার পাশাপাশি শচীন একটি দারুণ মজার ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে তাঁকে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে একটি অভিনব খেলা খেলতে দেখা গেছে। মাত্র ১০টি প্রশ্ন করে তাঁকে সঠিকভাবে চেনার জন্য এআই-কে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তিনি, আর সেই চ্যালেঞ্জে সফলও হয় চ্যাটজিপিটি। সাধারণ মানুষ যাতে সঠিক উপায়ে এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারে এবং নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী তা নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাতে পারে, সেটাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য।

বর্ণময় ক্রিকেট ক্যারিয়ার থেকে প্রযুক্তি সচেতনতা

১৯৮৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত সুদীর্ঘ ২৪ বছরের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ৬৬৪টি ম্যাচ খেলে ৩৪,৩৫৭ রান করেছেন শচীন। টেস্টে ১৫,৯২১ রান এবং ওডিআইতে ১৮,৪২৬ রানের পাশাপাশি তাঁর ঝুলিতে রয়েছে ১০০টি আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরির ঐতিহাসিক রেকর্ড। ২০১০ সালে ক্রিকেট ইতিহাসের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানোর পাশাপাশি ২০১৪ সালে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘ভারতরত্ন’ অর্জন করেন তিনি। ক্রিকেট জীবনকে বিদায় জানানোর পর এবার প্রযুক্তি সচেতনতা বাড়াতে এবং এর সঠিক প্রয়োগ ঘটাতে নতুন মিশনে নেমেছেন ভারতের এই কিংবদন্তি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *