‘নিজস্ব ইঞ্জিন নয়, অন্য কোম্পানির ওপর ভরসা!’ গাড়ি বাজারে ঝড় তুলতে আসছ কোন নতুন হোন্ডা এসইউভি?

অটোমোবাইল বাজারে ফের একবার আলোড়ন সৃষ্টি করতে চলেছে জাপানি গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থা হোন্ডা কারস ইন্ডিয়া (Honda Cars India)। আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে বাজারে একটি নতুন সাব-৪ মিটার কমপ্যাক্ট এসইউভি লঞ্চ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে সংস্থাটি। তবে সবচেয়ে বড় চমকটি রয়েছে এর ইঞ্জিন প্রযুক্তিতে। নতুন এই এসইউভি-তে হোন্ডা তাদের নিজস্ব কোনো ইঞ্জিন ব্যবহার না করে অন্য কোনো কোম্পানির পাওয়ারট্রেট বা ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারে বলে জোরালো জল্পনা শুরু হয়েছে।
কেন এই বড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছ হোন্ডা? সামনে আসা বিভিন্ন রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন এই এসইউভি-র জন্য ‘হর্স পাওয়ারট्रेन’ (Horse Powertrain) সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে হোন্ডা। উল্লেখ্য, এই হর্স পাওয়ারট্রেট হলো রেনল্ট গ্রুপ ও জিলির একটি যৌথ উদ্যোগ, যেখানে সৌদি আরামকোও যুক্ত রয়েছে। সংস্থার প্রস্তাবিত ১.২ লিটারের এই নতুন ইঞ্জিনটি পেট্রোল, সিএনজি এবং হাইব্রিড— এই তিনটি বিকল্পের সঙ্গেই বাজারে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কঠোর হচ্ছে এমন নতুন এমিশন বা দূষণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ম এবং কম খরচে আধুনিক প্রযুক্তি গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতেই এই পথ বেছে নিতে চলেছে হোন্ডা।
প্রতিযোগিতায় কাদের মুখোমুখি হবে এই এসইউভি? জানা গিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ায় ব্যবহৃত ডব্লিউআর-ভি (WR-V) প্ল্যাটফর্মের আদলেই এই নতুন গাড়িটি তৈরি করা হতে পারে। পাশাপাশি গাড়িটির ডিজাইন এবং ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজে টাটা টেকনোলজির সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। ২০২৮ সালে বাজারে আসার পর এই নতুন গাড়িটি সরাসরি হুন্ডাই ভেন্যু, টাটা নেক্সন এবং মারুতি সুজুকি ব্রেজার মতো জনপ্রিয় এসইউভিগুলির সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতায় নামবে। সাশ্রয়ী মূল্যে মাল্টি-ফিউল অপশনের এই গাড়িটি ভারতীয় মধ্যবিত্তের গাড়ি কেনার পছন্দ কতটা বদলে দেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।