‘নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরাট আন্দোলনের ডাক!’ ২ অক্টোবর গান্ধী জয়ন্তীতে ময়দানে নামছে কোন নতুন দল?

নির্বাচন কমিশনের কার্যপ্রণালী এবং জবাবদিহিতাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক। আগামী ২ অক্টোবর, মহাত্মা গান্ধীর জন্মজয়ন্তীর পবিত্র দিনটিকে বেছে নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের ঘোষণা দিয়েছে ‘কোকরোচ জনতা পার্টি’ বা সিজেপি (CJP)। আগামী ২ অক্টোবর মুম্বই থেকে শুরু হতে চলা এই আন্দোলনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জল্পনা, যার মধ্যে মুখ খুলেছেন বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক।

কী বলছেন সোনম ওয়াংচুক? সিজেপি-র এই প্রস্তাবিত আন্দোলন এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পর সোশ্যাল ও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়। এই প্রসঙ্গে মুখ খুলে সোনম ওয়াংচুক পরিষ্কার জানিয়েছেন যে, দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার যেকোনো উদ্যোগকে তিনি সবসময় সমর্থন করেন। তবে এই আন্দোলনে তিনি নিজে সশরীরে উপস্থিত থাকছেন না বলেই জানিয়েছেন।

তাঁর মতে, আন্দোলনগুলি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে পরিচালিত হওয়া উচিত। কোনো বিশেষ ইস্যুতে সমর্থনের কথা বললেও এই নির্দিষ্ট আন্দোলনে তাঁর ব্যক্তিগত উপস্থিতির প্রয়োজন নেই বলেই মনে করেন তিনি। একই সঙ্গে লद्दाखের ষষ্ঠ তফসিলে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং দেশে স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন তিনি।

রাজনৈতিক মহলে বাড়ছে চাপ: মহাত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনের পথকে অনুসরণ করে সিজেপি এই প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে। অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ ও এসআইআর (SIR) সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিরোধীরাও। আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ‘ইন্ডিয়া’ জোটের দলগুলি দিল্লিতে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে চলেছে, যেখানে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে যৌথ পদক্ষেপ নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। সব মিলিয়ে আগামী ২ অক্টোবরের এই আন্দোলন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরণের প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *