বিয়ের প্রলোভনে সহবাস ও প্রতারণা! নতুন আইনে কড়া বিপদে বর্ধমানের যুবক

বিয়ের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে একের পর এক নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং পরবর্তীতে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান থেকে এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত যুবকের নাম অরিন্দম বিশ্বাস। তাঁর বাড়ি বর্ধমানের গাংপুর এলাকার স্বস্তি পল্লিতে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ ও পুলিশি পদক্ষেপ
পুলিশ সূত্রের খবর, অভিযুক্ত অরিন্দম বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে নানা কৌশলে মহিলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে তুলতেন। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের পর আচমকাই নিজেকে গুটিয়ে নিতেন এবং সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিতেন।
সম্প্রতি তাঁর প্রতারণার শিকার হয়ে এক নারী বর্ধমান মহিলা থানার দ্বারস্থ হন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর লিখিত অভিযোগ দায়ের হওয়ার পরেই তৎপর হয়ে ওঠে পুলিশ। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত অভিযান চালিয়ে নিজ গৃহ থেকেই অভিযুক্ত অরিন্দমকে জালে তোলে তদন্তকারীরা।
ভারতীয় ন্যায় সংহিতায় কড়া মামলা
ধৃত অরিন্দমের বিরুদ্ধে নতুন দণ্ডসংহিতা ‘ভারতীয় ন্যায় সংহিতা’ (BNS)-র ৬৯ নম্বর ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে বা প্রতারণামূলক উপায়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের ক্ষেত্রে এই ধারায় কড়া শাস্তির বিধান রয়েছে।
| বিবরণ | তথ্য |
| অভিযুক্তের নাম | অরিন্দম বিশ্বাস |
| বাসস্থান | স্বস্তি পল্লি, গাংপুর, বর্ধমান |
| অভিযোগের স্থান | বর্ধমান মহিলা থানা |
| আইনি ধারা | ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-র ৬৯ নম্বর ধারা |
রবিবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ। ঘটনার পেছনে আরও কোনো চক্র বা ভুক্তভোগী রয়েছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত প্রক্রিয়া জোরকদমে চালু রয়েছে। সম্প্রতি কলকাতাতেও একই ধরনের একাধিক ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় এই জাতীয় অপরাধ দমনে বাড়তি নজর দিচ্ছে রাজ্য পুলিশ।