প্রতীকের লড়াইয়ে কি শিবসেনার মতো পরিণতি হবে তৃণমূলের? কমিশনের বৈঠকে কড়া বার্তা ঋতব্রতদের, আজই ফয়সালা?

দলীয় প্রতীক জোড়াফুল কার দখলে যাবে, তা নিয়ে দড়ি টানাটানি তুঙ্গে। নব তৃণমূল শিবির বনাম কালীঘাট—তৃণমূলের এই দুই পক্ষের ক্ষমতার লড়াইয়ের আইনি নিষ্পত্তি এবার চূড়ান্ত অন্তিম পর্যায়ে পৌঁছেছে। উপনির্বাচনের কথা মাথায় রেখে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জোরালো আর্জি জানিয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল।

কমিশনের দফতর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দেশের সাংবিধানিক নির্বাচনী সংস্থার প্রতি তাঁদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে। সমস্ত নিয়ম ও প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁরা নিজেদের বক্তব্য কমিশনের সামনে তুলে ধরেছেন। সামনেই উপনির্বাচন থাকায় এই আইনি জটিলতার দ্রুত অবসান ঘটাতে কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, কমিশনের কাজের উপর কোনো রকম চাপ তৈরি করা তাঁদের উদ্দেশ্য নয়।

অন্যদিকে, এদিনই বিকেল চারটের সময় কালীঘাট তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকেও শুনানির জন্য ডেকে পাঠায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনে দুই পক্ষই প্রার্থী ঘোষণা করেছে এবং দুপক্ষেরই দাবি তারা জোড়াফুল প্রতীক নিয়েই লড়াই করবে। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব ও ভোটগ্রহণের ঠিক প্রাক্কালে প্রতীক সংক্রান্ত এই জট না কাটায় রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, শেষ পর্যন্ত জোড়াফুল প্রতীক আদৌ কার ভাগে পড়বে, নাকি মহারাষ্ট্রের শিবসেনা মামলার মতো প্রতীক ‘ফ্রিজ’ করে দিয়ে নতুন প্রতীকের নির্দেশ দেবে কমিশন। আজই এই জটিলতার বড় কোনো মোড় ঘোরার সম্ভাবনা রয়েছে।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *